
ঢাকার সাভারের আমিন বাজার এলাকায় জামাই-শশুর মিলে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভুক্তভোগী। আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে আমিনুল বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাভার আমিন বাজার ইউনিয়ন শাখার সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ডালি ও তার জামাই বাহাউদ্দিন বাহার, বর্তমান স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড নেতা পরিচয়ে আমার ১২.৫০ শতাংশ জমি দখল করে তাতে নির্মাণ কাজ করছে।
আমার স্ত্রী, আমার বড় ভাইয়ের পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে এই জমি। দীর্ঘদিন যাবত আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে মামলা চলমান অবস্থায়, বাহা উদ্দিন বাহার জমি ক্রয় করেন। তারপরেই জোর জবরদস্তি করি জমি দখল করার চেষ্টা করেন। তারা সম্পর্কে শুশুর–জামাই।
আমিনুল আরও বলেন, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে সেই সরকারের নাম ভেঙে তারা শশুর–জামাই এলাকায় সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাইয়ে জমি দখল করেন। এ ছাড়া এলাকায় সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েও নানা হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বলেও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে