নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্বকাপের সব খেলা বড় পর্দায় দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর জন্য ডিএনসিসির ৯টি স্থানে বসানো হয়েছে বড় পর্দা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের প্যারিস রোড-সংলগ্ন মাঠে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এর খেলা বড় পর্দায় দেখানোর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম।
এ সময় মেয়র বলেন, ‘মাঠে একসঙ্গে সবাই মিলে খেলা দেখার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ফলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ডিএনসিসির সব এলাকায় মাসব্যাপী বিশ্বকাপের সব খেলা বড় পর্দায় দেখানো হবে।’
ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী যে ৯টি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো হবে—১. রবীন্দ্রসরণি, উত্তরা ২. মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ৩. মুজিব চত্বর, হাতিরঝিল, মধুবাগ, ৪. নগর ভবন, গুলশান-২, ৫. বছিলা, মোহাম্মদপুর (লাউতলা খালসংলগ্ন) ৬. প্যারিস রোডসংলগ্ন মাঠ, ৭. কাচকুড়া কলেজ মাঠ, ৮. শ্যামলী পার্ক ও ৯. খিলগাঁও তালতলা মার্কেট। আরও কয়েকটি স্থান নির্বাচন করে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।
শিশুদের খেলাধুলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে যেমন প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা, তেমনি প্রয়োজন মানসিক সুস্থতা। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ শহরে প্রয়োজনীয় খেলার মাঠ নেই। চারপাশে শুধু ভবন নির্মাণ হচ্ছে। শুধু ভবন নির্মাণ করলে হবে না। শিশুদের বিকাশের জন্য খেলার সুযোগ করে দিতে হবে।’
বড় পর্দায় সরাসরি খেলা প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে ডিএনসিসির মেয়র নগরবাসীর সঙ্গে মাঠে বসে আর্জেন্টিনা বনাম সৌদি আরবের খেলাটি উপভোগ করেন এবং মিরপুরের স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিএনসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক।

বিশ্বকাপের সব খেলা বড় পর্দায় দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর জন্য ডিএনসিসির ৯টি স্থানে বসানো হয়েছে বড় পর্দা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের প্যারিস রোড-সংলগ্ন মাঠে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এর খেলা বড় পর্দায় দেখানোর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম।
এ সময় মেয়র বলেন, ‘মাঠে একসঙ্গে সবাই মিলে খেলা দেখার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ফলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ডিএনসিসির সব এলাকায় মাসব্যাপী বিশ্বকাপের সব খেলা বড় পর্দায় দেখানো হবে।’
ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী যে ৯টি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো হবে—১. রবীন্দ্রসরণি, উত্তরা ২. মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ৩. মুজিব চত্বর, হাতিরঝিল, মধুবাগ, ৪. নগর ভবন, গুলশান-২, ৫. বছিলা, মোহাম্মদপুর (লাউতলা খালসংলগ্ন) ৬. প্যারিস রোডসংলগ্ন মাঠ, ৭. কাচকুড়া কলেজ মাঠ, ৮. শ্যামলী পার্ক ও ৯. খিলগাঁও তালতলা মার্কেট। আরও কয়েকটি স্থান নির্বাচন করে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।
শিশুদের খেলাধুলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে যেমন প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা, তেমনি প্রয়োজন মানসিক সুস্থতা। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ শহরে প্রয়োজনীয় খেলার মাঠ নেই। চারপাশে শুধু ভবন নির্মাণ হচ্ছে। শুধু ভবন নির্মাণ করলে হবে না। শিশুদের বিকাশের জন্য খেলার সুযোগ করে দিতে হবে।’
বড় পর্দায় সরাসরি খেলা প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে ডিএনসিসির মেয়র নগরবাসীর সঙ্গে মাঠে বসে আর্জেন্টিনা বনাম সৌদি আরবের খেলাটি উপভোগ করেন এবং মিরপুরের স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিএনসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
৩ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৩৭ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৩৮ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৪১ মিনিট আগে