নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নাশকতার মামলায় ঢাকা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার ২২৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা রয়েছেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ঢাকা মহানগর এলাকার ৩৬টি থানায় পুরোনো বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২০৫ জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ ছাড়া ঢাকা জেলার তিন থানা থেকে মোট ২২ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো বিভিন্ন মামলায় রাজধানীর পল্লবী থানায় ১৯ জন, কাফরুলে ১৫, মোহাম্মদপুর থানায় ৩, ওয়ারী থানায় ২২, যাত্রাবাড়ী থানায় ১৭, গেন্ডারিয়া থানায় ৩, সূত্রাপুর থানায় ৬, ক্যান্টনমেন্ট থানায় ১, খিলক্ষেত থানায় ৩, নিউমার্কেট থানায় ৪, কলাবাগান থানায় ১, রামপুরা থানায় ৩, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১, হাতিরঝিল থানায় ১, তেজগাঁও থানায় ৩, আদাবর থানায় ৫, রমনা থানায় ৩, শাহবাগ থানায় ২, কাফরুল থানায় ১৫, মতিঝিল থানায় ৩, শাহজাহানপুর থানায় ১, গুলশান থানায় ১, বাড্ডা থানায় ৬, বংশাল থানায় ৬, কোতোয়ালি থানায় ২, চকবাজার থানায় ৬, কামরাঙ্গীরচর থানায় ১০, লালবাগ থানায় ৪, কদমতলী থানায় ১৮, শ্যামপুর থানায় ২, হাজারীবাগ থানায় ৬, উত্তরখান থানায় ৫, ডেমরা থানায় ৪, খিলগাঁও থানায় ৮, মুগদা থানায় ২, দারুসসালাম থানায় ১০ ও শাহ আলী থানায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা জেলার ৩টি থানা থেকে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এঁদের মধ্যে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ৯ জন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ৬ ও সাভার থানায় ৭ জন রয়েছেন।

নাশকতার মামলায় ঢাকা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার ২২৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা রয়েছেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ঢাকা মহানগর এলাকার ৩৬টি থানায় পুরোনো বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২০৫ জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ ছাড়া ঢাকা জেলার তিন থানা থেকে মোট ২২ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো বিভিন্ন মামলায় রাজধানীর পল্লবী থানায় ১৯ জন, কাফরুলে ১৫, মোহাম্মদপুর থানায় ৩, ওয়ারী থানায় ২২, যাত্রাবাড়ী থানায় ১৭, গেন্ডারিয়া থানায় ৩, সূত্রাপুর থানায় ৬, ক্যান্টনমেন্ট থানায় ১, খিলক্ষেত থানায় ৩, নিউমার্কেট থানায় ৪, কলাবাগান থানায় ১, রামপুরা থানায় ৩, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১, হাতিরঝিল থানায় ১, তেজগাঁও থানায় ৩, আদাবর থানায় ৫, রমনা থানায় ৩, শাহবাগ থানায় ২, কাফরুল থানায় ১৫, মতিঝিল থানায় ৩, শাহজাহানপুর থানায় ১, গুলশান থানায় ১, বাড্ডা থানায় ৬, বংশাল থানায় ৬, কোতোয়ালি থানায় ২, চকবাজার থানায় ৬, কামরাঙ্গীরচর থানায় ১০, লালবাগ থানায় ৪, কদমতলী থানায় ১৮, শ্যামপুর থানায় ২, হাজারীবাগ থানায় ৬, উত্তরখান থানায় ৫, ডেমরা থানায় ৪, খিলগাঁও থানায় ৮, মুগদা থানায় ২, দারুসসালাম থানায় ১০ ও শাহ আলী থানায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা জেলার ৩টি থানা থেকে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এঁদের মধ্যে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ৯ জন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ৬ ও সাভার থানায় ৭ জন রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে