Ajker Patrika

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন: শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৬, ২৩: ৪৯
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন: শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিতরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

বিষয়ভিত্তিক শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীরা। একই সঙ্গে বঞ্চিতদের নিয়োগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষক নিবন্ধনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করারও আহ্বান জানানো হয়।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিতরা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী শূন্যপদের বিপরীতে ৬০ হাজার ৬৩৪ জনকে উত্তীর্ণ করা হলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়ভিত্তিক শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত না করা এবং পূর্বে সুপারিশপ্রাপ্তদের বারবার আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কারণে আমরা ইতিমধ্যেই দুইবার সুপারিশ বঞ্চিত হয়।

সুপারিশ বঞ্চিতদের মধ্যে লিখিত বক্তব্য পড়েন খোরশেদ আলম। তিনি জানান, এনটিআরসিএ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বারবার স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা। এপ্রিলে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে মন্ত্রী নিয়োগের আশ্বাস দেন। তবে সম্প্রতি কলেজ পর্যায়ের মাত্র ৭৫ শতাংশ পদ সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেন।

তারা দাবি করেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন বিষয়ে বিপুলসংখ্যক উত্তীর্ণ প্রার্থী আবারও নিয়োগবঞ্চিত হবেন। উদাহরণ হিসেবে তারা বাংলা, ম্যানেজমেন্ট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের শূন্যপদ ও সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীর সংখ্যার অসামঞ্জস্যের বিষয়টি তুলে ধরেন।

খোরশেদ বলেন, ‘দিনদিন আমরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছি এবং ব্যক্তিজীবনে দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীরা ৩ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে-বিষয়ভিত্তিক পর্যায়ে শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারিশ বঞ্চিতদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দিতে হবে, প্রয়োজনে নতুন করে ‘ই-রিকুইজিশন’ এর মাধ্যমে শূন্য পদের চাহিদা আবার নিতে হবে; সুপারিশ বঞ্চিতদের নিয়োগের আগে নতুন করে কোনো সার্কুলার প্রকাশ করা যাবে না; সনদের মেয়াদ এবং বয়স সময়সীমার মধ্যে থাকা সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিত সবাইকে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে, সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়-২ এবং প্রভাষক পদে শতভাগ নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—মুনিয়া তাসনিম, মিনু আক্তার, মাসুদ রানা, নিপা আক্তার, শাকিল মিয়া, অনন্যা রানী।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত