আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক সুপার মার্কেট থেকে মুক্তারপুর পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে কোথাও গর্ত, কোথাও স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এ দুটি সমস্যায় সড়কপথে চলাচল চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, যানবাহন ও রোগী চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, পেট্রোল পাম্প, দুর্গাবাড়ী ও পঞ্চসার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আর মানিকপুর ১০ তলা ভবন এলাকা থেকে সুপার মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে গর্তে পানি জমে গিয়ে চলাচল হয়ে পড়েছে দুঃসাধ্য। সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতি দেখা গেছে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সামনের অংশে।
স্থানীয় বাসিন্দা, যানবাহনচালক ও পথচারীদের অভিযোগ, শহরের হাসপাতাল, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে যাতায়াতের জন্য এই সড়কই একমাত্র ভরসা। সদর ছাড়াও টঙ্গিবাড়ী, শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার বহু মানুষ প্রতিদিন এই সড়কে চলাচল করেন।
পঞ্চসার এলাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, এ পথে চলাচল কতটা কষ্টের ভাষায় বোঝানো যাবে না। ২০ টাকার ভাড়া এখন ৪০ টাকা দিতে হয়, তাতেও রিকশাওয়ালা যেতে চায় না। ঝাঁকুনিতে শরীরের হাড়গোড় ঠিক থাকে না। এমন প্রধান সড়কের এমন অবস্থা দেশে আর কোথাও আছে কিনা জানি না।
অটোরিকশাচালক আসলাম মিয়া বলেন, বর্ষার শুরু থেকেই রাস্তার এমন অবস্থা। কিছু জায়গায় তো সারাবছরই পানি জমে থাকে। আগে সপ্তাহে একবার গাড়ি মেরামত করলেই চলত, এখন তো প্রতিদিনই যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। পৌরসভা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

এদিকে গত বছর বর্ষা মৌসুমেও একই সড়ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তখন ২১ অক্টোবর ৩৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ টাকা ব্যয়ে ‘মাজেদ ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সড়ক মেরামতের দায়িত্ব দেয় পৌরসভা। ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হলেও মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সড়কটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের মান ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ লোপাট করেছে।
বর্তমানে পৌরসভা নিজ উদ্যোগে নতুন সংস্কার কাজ শুরু করেছে। এজন্য ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭১০ টাকা ব্যয়ে পাথর, পিচসহ প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা হয়েছে এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশাররফ হোসেন কাজের দায়িত্বে রয়েছেন।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দরপত্র ছাড়াই কাজ শুরু করা হয়েছে এবং আগের মতোই অনিয়মের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এবারও দুই টাকার কাজ করে ২০০ টাকার বিল তৈরির কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার উপপরিচালক মৌসুমী মাহবুব জানান,জনভোগান্তি কমাতে অস্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সংস্কারের জন্য প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এই বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, `আগের কাজ ঠিকই ছিল। কিন্তু সড়কের নিচে গ্যাস ও পানির পাইপ থাকায় হয়তো নতুন গর্ত হয়েছে। এবার যেহেতু পৌরসভা সরাসরি কাজ করছে, তাই কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।’

মুন্সিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক সুপার মার্কেট থেকে মুক্তারপুর পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে কোথাও গর্ত, কোথাও স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এ দুটি সমস্যায় সড়কপথে চলাচল চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, যানবাহন ও রোগী চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, পেট্রোল পাম্প, দুর্গাবাড়ী ও পঞ্চসার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আর মানিকপুর ১০ তলা ভবন এলাকা থেকে সুপার মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে গর্তে পানি জমে গিয়ে চলাচল হয়ে পড়েছে দুঃসাধ্য। সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতি দেখা গেছে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সামনের অংশে।
স্থানীয় বাসিন্দা, যানবাহনচালক ও পথচারীদের অভিযোগ, শহরের হাসপাতাল, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে যাতায়াতের জন্য এই সড়কই একমাত্র ভরসা। সদর ছাড়াও টঙ্গিবাড়ী, শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার বহু মানুষ প্রতিদিন এই সড়কে চলাচল করেন।
পঞ্চসার এলাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, এ পথে চলাচল কতটা কষ্টের ভাষায় বোঝানো যাবে না। ২০ টাকার ভাড়া এখন ৪০ টাকা দিতে হয়, তাতেও রিকশাওয়ালা যেতে চায় না। ঝাঁকুনিতে শরীরের হাড়গোড় ঠিক থাকে না। এমন প্রধান সড়কের এমন অবস্থা দেশে আর কোথাও আছে কিনা জানি না।
অটোরিকশাচালক আসলাম মিয়া বলেন, বর্ষার শুরু থেকেই রাস্তার এমন অবস্থা। কিছু জায়গায় তো সারাবছরই পানি জমে থাকে। আগে সপ্তাহে একবার গাড়ি মেরামত করলেই চলত, এখন তো প্রতিদিনই যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। পৌরসভা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

এদিকে গত বছর বর্ষা মৌসুমেও একই সড়ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তখন ২১ অক্টোবর ৩৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ টাকা ব্যয়ে ‘মাজেদ ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সড়ক মেরামতের দায়িত্ব দেয় পৌরসভা। ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হলেও মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সড়কটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের মান ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ লোপাট করেছে।
বর্তমানে পৌরসভা নিজ উদ্যোগে নতুন সংস্কার কাজ শুরু করেছে। এজন্য ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭১০ টাকা ব্যয়ে পাথর, পিচসহ প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা হয়েছে এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশাররফ হোসেন কাজের দায়িত্বে রয়েছেন।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দরপত্র ছাড়াই কাজ শুরু করা হয়েছে এবং আগের মতোই অনিয়মের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এবারও দুই টাকার কাজ করে ২০০ টাকার বিল তৈরির কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার উপপরিচালক মৌসুমী মাহবুব জানান,জনভোগান্তি কমাতে অস্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সংস্কারের জন্য প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এই বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, `আগের কাজ ঠিকই ছিল। কিন্তু সড়কের নিচে গ্যাস ও পানির পাইপ থাকায় হয়তো নতুন গর্ত হয়েছে। এবার যেহেতু পৌরসভা সরাসরি কাজ করছে, তাই কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে