Ajker Patrika

গুলশানের প্লট দখল: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
গুলশানের প্লট দখল: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
সালাম মুর্শেদী। ছবি: সংগৃহীত

জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানী গুলশানের ২৭ কাঠা একটি সরকারি পরিত্যক্ত প্লট আত্মসাতের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এ মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত সাক্ষ্য দেন।

বাদীর জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর আসামি মাহবুবুল হকের পক্ষে তাঁর আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম আংশিক জেরা করেন।

এরপর বিচারক মো. আব্দুস সালাম আগামী ১ নভেম্বর বাদীকে বাকী জেরা করার তারিখ ধার্য করেন।

এ মামলায় অন্য যারা আসামি, তাঁরা হলেন—রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম ও প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তাঁর ভাই মীর মো. নুরুল আফছার, ইফফাত হক ও তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈন, নুরুল হক, রহমান ভুইয়া এবং মাহবুবুল হক।

আসামি মাহবুবুল হকের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।

সাক্ষ্য গ্রহণের সময় সালাম মুর্শেদীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা ১১ আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। আসামি আব্দুস সোবহান পলাতক রয়েছেন।

গুলশান ২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। পরে গত বছর ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ও সরকারি কর্মচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে খ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। যা পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করে। পরে সালাম মুর্শেদী ভোগ দখল করতে থাকেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত