নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতস্বরূপ শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেয়েছেন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১০ নারী ৷ মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে দুজনকে সরাসরি এবং বাকি ৮ জনকে ভার্চুয়ালি এই সম্মাননা প্রদান করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের সম্মাননাপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন-অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সাতকানিয়া উপজেলার নাছরিন সোলতানা জেরিন, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী রাঙামাটি জেলার সপ্তর্ষি চাকমা, সফল জননী খাগড়াছড়ি জেলার ইন্দিরা দেবী চাকমা, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা ফেনী জেলার লায়লা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় কক্সবাজার জেলার মনোয়ারা পারভীন।
সিলেট বিভাগের সম্মাননাপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন—অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সুনামগঞ্জ জেলার সৈয়দা ফারহানা ইমা, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মার্গ্রেট সুমের, সফল জননী বিশ্বনাথ উপজেলার সালেহা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করে মৌলভীবাজার জেলার শাহেনা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় সিলেট জেলার খুশি চৌধুরী।
ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘সরকারের নারীবান্ধব উন্নয়ন ও নীতি কৌশল বাস্তবায়নের ফলে গত এক যুগে সরকারি, বেসরকারি, আত্মকর্মসংস্থানসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে বেগবান করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে জয়িতা কার্যক্রমের সূচনা করেন। জয়িতার কার্যক্রম বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নারীবান্ধব বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। জয়িতাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাস, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার জয়িতাদের চিহ্নিত করে তাদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই জয়িতারাই আজ বাধা পেরিয়ে দেশে সফলতার প্রতীক।’
অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে অর্ধেকে উন্নীত করতে মাঠ প্রশাসনকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। সরকারের বহুমুখী কার্যক্রমের ফলে নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিয়ের হার কমে এসেছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার লায়লা আক্তার এবং সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শাহেনা আক্তার সরাসরি উপস্থিত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ ও সনদ গ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অন্য নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতারা নিজ নিজ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের নিকট থেকে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ ও সনদ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা সিলেট বিভাগের জয়িতাদের নিয়ে ‘জয়িতা তোমরাই বাংলাদেশের বাতিঘর’ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতস্বরূপ শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেয়েছেন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১০ নারী ৷ মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে দুজনকে সরাসরি এবং বাকি ৮ জনকে ভার্চুয়ালি এই সম্মাননা প্রদান করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের সম্মাননাপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন-অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সাতকানিয়া উপজেলার নাছরিন সোলতানা জেরিন, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী রাঙামাটি জেলার সপ্তর্ষি চাকমা, সফল জননী খাগড়াছড়ি জেলার ইন্দিরা দেবী চাকমা, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা ফেনী জেলার লায়লা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় কক্সবাজার জেলার মনোয়ারা পারভীন।
সিলেট বিভাগের সম্মাননাপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন—অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সুনামগঞ্জ জেলার সৈয়দা ফারহানা ইমা, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মার্গ্রেট সুমের, সফল জননী বিশ্বনাথ উপজেলার সালেহা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করে মৌলভীবাজার জেলার শাহেনা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় সিলেট জেলার খুশি চৌধুরী।
ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘সরকারের নারীবান্ধব উন্নয়ন ও নীতি কৌশল বাস্তবায়নের ফলে গত এক যুগে সরকারি, বেসরকারি, আত্মকর্মসংস্থানসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে বেগবান করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে জয়িতা কার্যক্রমের সূচনা করেন। জয়িতার কার্যক্রম বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নারীবান্ধব বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। জয়িতাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাস, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার জয়িতাদের চিহ্নিত করে তাদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই জয়িতারাই আজ বাধা পেরিয়ে দেশে সফলতার প্রতীক।’
অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে অর্ধেকে উন্নীত করতে মাঠ প্রশাসনকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। সরকারের বহুমুখী কার্যক্রমের ফলে নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিয়ের হার কমে এসেছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার লায়লা আক্তার এবং সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শাহেনা আক্তার সরাসরি উপস্থিত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ ও সনদ গ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অন্য নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতারা নিজ নিজ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের নিকট থেকে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ ও সনদ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা সিলেট বিভাগের জয়িতাদের নিয়ে ‘জয়িতা তোমরাই বাংলাদেশের বাতিঘর’ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সদরে একটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মণ পাট পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সরকারি টিঅ্যান্ডটি অফিসের সামনে সুনীল সাহার পাটের গুদামে আগুন লাগে।
২৫ মিনিট আগে
বরগুনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার হলে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতার স্ত্রীসহ দুই চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
৩৩ মিনিট আগে
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে শিয়ালের কামড়ে জাহেরা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কামারখন্দ হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে একটি লবণের কার্গো ট্রাক থেকে ১২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় হাসানুর রহমান (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মাঝেরপাড়া গ্রামে।
২ ঘণ্টা আগে