নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দশম গ্রেডে থাকা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার পদ ৯ম গ্রেড এবং ১১তম গ্রেডে থাকা পরিদর্শকের পদটি দশম গ্রেডে করার দাবি উঠেছে। এ বিষয়ে আজ রোববার শেরেবাংলা নগরের সমবায় অধিদপ্তরে বৈষম্যবিরোধী কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ব্যানারে এমন দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা কর্মকর্তারা-কর্মচারীরা।
তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে-বঞ্চিত ও যোগ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে দ্রুত পদোন্নতি দেওয়া; দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলা ও সমবায় অফিসারের কার্যালয় ও মেট্রোপলিটন থানা সমবায় দপ্তরে কর্মরতদের দ্রুত ঢাকার বাইরে বদলি করা; সমবায় অধিদপ্তরকে দুর্নীতি মুক্ত করা; বঞ্চিতদের হয়রানি বন্ধ করা; বদলি ও নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত করা; একই লোককে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেট্রো থানা বা জেলা সমবায় অফিসে পদায়ন না করা; সদ্য বিদায়ী সরকারের আমলে অহেতুক দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা ইত্যাদি।
সরেজমিনে দেখা যায়, দাবি বাস্তবায়নে সকাল থেকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দুইটি ব্যানার ও কয়েকটি ফেস্টুন নিয়ে সমবায় অধিদপ্তর চত্বরে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। দাবি আদায় না হলে তারা কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
বেলা ৩টার দিকে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম অফিসে আসলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার কাছে তাদের দাবি তুলে ধরেন। তখন দাবি আদায়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম তার বক্তব্যে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ আপগ্রেডেশনের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তিনি আরও বলেন, অধিদপ্তরের পদ আপগ্রেডেশনের ক্ষমতা নেই। আমরা এখান থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত নথি উপস্থাপন করা হবে। যাতে তা বাস্তবায়ন করা হয় সেই বিষয়েও নিয়মিত খোঁজ রাখা হবে।

দশম গ্রেডে থাকা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার পদ ৯ম গ্রেড এবং ১১তম গ্রেডে থাকা পরিদর্শকের পদটি দশম গ্রেডে করার দাবি উঠেছে। এ বিষয়ে আজ রোববার শেরেবাংলা নগরের সমবায় অধিদপ্তরে বৈষম্যবিরোধী কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ব্যানারে এমন দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা কর্মকর্তারা-কর্মচারীরা।
তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে-বঞ্চিত ও যোগ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে দ্রুত পদোন্নতি দেওয়া; দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলা ও সমবায় অফিসারের কার্যালয় ও মেট্রোপলিটন থানা সমবায় দপ্তরে কর্মরতদের দ্রুত ঢাকার বাইরে বদলি করা; সমবায় অধিদপ্তরকে দুর্নীতি মুক্ত করা; বঞ্চিতদের হয়রানি বন্ধ করা; বদলি ও নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত করা; একই লোককে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেট্রো থানা বা জেলা সমবায় অফিসে পদায়ন না করা; সদ্য বিদায়ী সরকারের আমলে অহেতুক দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা ইত্যাদি।
সরেজমিনে দেখা যায়, দাবি বাস্তবায়নে সকাল থেকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দুইটি ব্যানার ও কয়েকটি ফেস্টুন নিয়ে সমবায় অধিদপ্তর চত্বরে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। দাবি আদায় না হলে তারা কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
বেলা ৩টার দিকে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম অফিসে আসলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার কাছে তাদের দাবি তুলে ধরেন। তখন দাবি আদায়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম তার বক্তব্যে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ আপগ্রেডেশনের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তিনি আরও বলেন, অধিদপ্তরের পদ আপগ্রেডেশনের ক্ষমতা নেই। আমরা এখান থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত নথি উপস্থাপন করা হবে। যাতে তা বাস্তবায়ন করা হয় সেই বিষয়েও নিয়মিত খোঁজ রাখা হবে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৮ ঘণ্টা আগে