আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডায় অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ৭ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি. এম. ফারহান ইসতিয়াকের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরও যাদের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক বিচারপতি আবুল হোসেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও শ্রমিক লীগ নেতা গোলাম সারওয়ার পিন্টু।
আজ সোমবার কারাগার থেকে সাতজনকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো উত্তরের পরিদর্শক রিদুয়ানুল হক। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের আবেদন বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের এ আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ২০ জুলাই বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় যাত্রী নিতে অপেক্ষা করছিলেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার। এ সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার উদ্দেশ্যে আসামিদের ছোড়া গুলি হাফিজুলের বাম পাঁজরে লেগে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত ২১ আগস্ট তার পরিবার বাড্ডা থানায় মামলা করে।
গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আসামিদের বিভিন্ন সময়ে ও তারিখে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়। পর্যায়ক্রমে তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে দেওয়া হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডায় অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ৭ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি. এম. ফারহান ইসতিয়াকের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরও যাদের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক বিচারপতি আবুল হোসেন শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও শ্রমিক লীগ নেতা গোলাম সারওয়ার পিন্টু।
আজ সোমবার কারাগার থেকে সাতজনকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো উত্তরের পরিদর্শক রিদুয়ানুল হক। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের আবেদন বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের এ আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ২০ জুলাই বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় যাত্রী নিতে অপেক্ষা করছিলেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার। এ সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার উদ্দেশ্যে আসামিদের ছোড়া গুলি হাফিজুলের বাম পাঁজরে লেগে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত ২১ আগস্ট তার পরিবার বাড্ডা থানায় মামলা করে।
গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আসামিদের বিভিন্ন সময়ে ও তারিখে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়। পর্যায়ক্রমে তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে