নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইনের সংশোধিত খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী, আইনের সংশোধনীর খসড়াটি অংশীজন তথা গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের মতামত নিয়ে তা সমন্বয়ের পরামর্শ সংস্থাটির।
আজ রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এই কথা জানায়।
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, যে কোনো আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের আগে তার খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশ করা ও অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত। যা দেশে সাম্প্রতিককালে প্রণীত প্রায় সকল আইনের ক্ষেত্রে অনুসৃত হচ্ছে। প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করতে বিদ্যমান আইনের সংশোধিত খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ বেশ কয়েক বছর ধরে চলমান রয়েছে। কিন্তু এই আইনের খসড়া অপ্রকাশিত রাখার পাশাপাশি অংশীজনকে, বিশেষ করে সম্পাদক পরিষদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনকে প্রদানেও অপারগতা প্রকাশ করেছে প্রেস কাউন্সিল। যেহেতু আইনটির সঙ্গে সরাসরি গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের স্বার্থ, স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি জড়িত, সেহেতু এই সংশোধনের প্রতিটি ধাপে এই অংশীজনদের অবহিত করার পাশাপাশি মতামত গ্রহণের পর তা সমন্বয় করা আবশ্যক। এ অবস্থায় প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনীর খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশের পাশাপাশি অংশীজনদের মতামত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে আইনের খসড়াটি পর্যালোচনা, মতামত সংগ্রহ ও অবহিতকরণের জন্য জনস্বার্থে তা প্রকাশ করে আসছে সরকার। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে এই অনুশীলন যখন সকল আইনের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তখন প্রশ্ন ওঠে–প্রেস কাউন্সিল আইনের সংশোধনীর খসড়াটি কেন জনস্বার্থে প্রকাশ করা হবে না?
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, গোপনীয়তার চর্চার মাধ্যমে দেশের আইন প্রণয়ন ও সংশোধন প্রক্রিয়ার প্রচলিত রীতিকে উপেক্ষার মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারিতার নজির সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষার চেয়ে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে প্রেস কাউন্সিল এই গোপনীয়তার আশ্রয় নিচ্ছে কি-না, এ প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া যৌক্তিক।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রেস কাউন্সিল দেশের প্রচলিত চর্চার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইনের খসড়া অনলাইনে অবমুক্তকরণে উদ্যোগী হবে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইনের সংশোধিত খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী, আইনের সংশোধনীর খসড়াটি অংশীজন তথা গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের মতামত নিয়ে তা সমন্বয়ের পরামর্শ সংস্থাটির।
আজ রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এই কথা জানায়।
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, যে কোনো আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের আগে তার খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশ করা ও অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত। যা দেশে সাম্প্রতিককালে প্রণীত প্রায় সকল আইনের ক্ষেত্রে অনুসৃত হচ্ছে। প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করতে বিদ্যমান আইনের সংশোধিত খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ বেশ কয়েক বছর ধরে চলমান রয়েছে। কিন্তু এই আইনের খসড়া অপ্রকাশিত রাখার পাশাপাশি অংশীজনকে, বিশেষ করে সম্পাদক পরিষদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনকে প্রদানেও অপারগতা প্রকাশ করেছে প্রেস কাউন্সিল। যেহেতু আইনটির সঙ্গে সরাসরি গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের স্বার্থ, স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি জড়িত, সেহেতু এই সংশোধনের প্রতিটি ধাপে এই অংশীজনদের অবহিত করার পাশাপাশি মতামত গ্রহণের পর তা সমন্বয় করা আবশ্যক। এ অবস্থায় প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনীর খসড়া জনস্বার্থে প্রকাশের পাশাপাশি অংশীজনদের মতামত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে আইনের খসড়াটি পর্যালোচনা, মতামত সংগ্রহ ও অবহিতকরণের জন্য জনস্বার্থে তা প্রকাশ করে আসছে সরকার। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে এই অনুশীলন যখন সকল আইনের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তখন প্রশ্ন ওঠে–প্রেস কাউন্সিল আইনের সংশোধনীর খসড়াটি কেন জনস্বার্থে প্রকাশ করা হবে না?
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, গোপনীয়তার চর্চার মাধ্যমে দেশের আইন প্রণয়ন ও সংশোধন প্রক্রিয়ার প্রচলিত রীতিকে উপেক্ষার মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারিতার নজির সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষার চেয়ে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে প্রেস কাউন্সিল এই গোপনীয়তার আশ্রয় নিচ্ছে কি-না, এ প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া যৌক্তিক।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রেস কাউন্সিল দেশের প্রচলিত চর্চার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইনের খসড়া অনলাইনে অবমুক্তকরণে উদ্যোগী হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে