উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরখানে ভেজাল ও অনুমোদনহীন ডেইরি মিল্ক, ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরির প্রতিষ্ঠান ক্র্যাপ প্রোডাক্টসকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর। এ ছাড়া, অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্যাক্টরিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরখানের মাস্টারপাড়া মক্কা টাওয়ারের ওই কারখানায় আজ রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
যৌথবাহিনীর এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল। অভিযানে উত্তরা আর্মি ক্যাম্পের সেনা কর্মকর্তা, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও উত্তরখান থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
এ সময় ক্র্যাপ প্রোডাক্টসের ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম, সেলস ম্যানেজার খায়রুল আলম, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার মো. কামরুজ্জামান, সহকারী অ্যাকাউন্টস মো. সেলিম, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার ইভা খানম, অনলাইন সেকশন অফিসার ববি আক্তার ও প্রোডাকশন অফিসার রমজানকে ১ লাখ টাকা করে ৭ জনকে মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সময় ফ্যাক্টরির মালিক মো. রেদোয়ান রহমান পলাতক ছিলেন। অভিযান শেষে ক্র্যাপ প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অভিযানকালে দেখা যায়, ওই ফ্যাক্টরিতে ভেজাল ও অনুমোদনহীনভাবে নোংরা পরিবেশে লাভক্যান্ডি, ডেইরি মিল্ক, আরিবা ডেইরি মিল্ক, ব্লক চকলেট, গামি বেয়ার (জেলি ক্যান্ডি), চকলেট বিস্কুট, চকো চকো, ক্র্যাপ আরিবা হার্টবিট লাভ ক্যান্ডি তৈরি করা হতো। এ ছাড়াও ওয়েফার রোল, ক্রান্চ বিস্কুট, ম্যাঙ্গো বার ও লাকি টুইনসও উৎপাদন করা হতো।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ভেজাল ও অনুমোদনহীন খাদ্য পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে উত্তরখানের ক্র্যাপ প্রোডাক্টসের ৭ জন কর্মচারীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩, ৪৪ এবং ৫১ ধারায় ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরখানে ভেজাল ও অনুমোদনহীন ডেইরি মিল্ক, ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরির প্রতিষ্ঠান ক্র্যাপ প্রোডাক্টসকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর। এ ছাড়া, অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্যাক্টরিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরখানের মাস্টারপাড়া মক্কা টাওয়ারের ওই কারখানায় আজ রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
যৌথবাহিনীর এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল। অভিযানে উত্তরা আর্মি ক্যাম্পের সেনা কর্মকর্তা, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও উত্তরখান থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।
এ সময় ক্র্যাপ প্রোডাক্টসের ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম, সেলস ম্যানেজার খায়রুল আলম, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার মো. কামরুজ্জামান, সহকারী অ্যাকাউন্টস মো. সেলিম, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার ইভা খানম, অনলাইন সেকশন অফিসার ববি আক্তার ও প্রোডাকশন অফিসার রমজানকে ১ লাখ টাকা করে ৭ জনকে মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সময় ফ্যাক্টরির মালিক মো. রেদোয়ান রহমান পলাতক ছিলেন। অভিযান শেষে ক্র্যাপ প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অভিযানকালে দেখা যায়, ওই ফ্যাক্টরিতে ভেজাল ও অনুমোদনহীনভাবে নোংরা পরিবেশে লাভক্যান্ডি, ডেইরি মিল্ক, আরিবা ডেইরি মিল্ক, ব্লক চকলেট, গামি বেয়ার (জেলি ক্যান্ডি), চকলেট বিস্কুট, চকো চকো, ক্র্যাপ আরিবা হার্টবিট লাভ ক্যান্ডি তৈরি করা হতো। এ ছাড়াও ওয়েফার রোল, ক্রান্চ বিস্কুট, ম্যাঙ্গো বার ও লাকি টুইনসও উৎপাদন করা হতো।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ভেজাল ও অনুমোদনহীন খাদ্য পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে উত্তরখানের ক্র্যাপ প্রোডাক্টসের ৭ জন কর্মচারীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩, ৪৪ এবং ৫১ ধারায় ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১৬ মিনিট আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
২৫ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ড্রামের ভেতর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার আনুমানিক বয়স ৩০ থেকে ৩২ বছর বলে ধারণা করো হচ্ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার হৃদয়মনি স্কুল-সংলগ্ন জালকুড়ি সড়কের খালপাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
৩১ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
১ ঘণ্টা আগে