
ঈদযাত্রার শুরুতেই ভয়াবহ যানজটে পড়েছে উত্তরবঙ্গমুখী মানুষ। ঢাকা থেকে ছুটে চলা বাসগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে আছে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায়। মহাখালী থেকে বেলা ২টায় ছেড়ে আসা বাস রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্তও চন্দ্রা পার হতে পারেনি। রাত যত বাড়ছে, ততই লম্বা হচ্ছে যানজটের সারি।
চন্দ্রা পার হওয়ার পর কালিয়াকৈর, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল ও যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের খবর মিলেছে। তবে কালিয়াকৈর পেরোনোর পর থেকে কিছুটা ধীরগতিতে হলেও যানবাহন চলাচল করছে।
বগুড়াগামী একতা পরিবহনের চালক রাশেদ মাহমুদ জানান, রোজার ঈদের মতো এবারের ঈদযাত্রা খুব একটা স্বস্তিদায়ক হবে না। কয়েক দিন আগেই যে চাপ পড়েছে, সেটাই এর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে বসে থেকে বিরক্ত ঘরমুখী যাত্রীরা। বাসের ভেতরে বসে অনেকে বারবার গুগল ম্যাপে ট্রাফিক পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন। ঢাকার একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী মতিউর রহমান বলেন, ‘মূল চাপ পড়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার রাতে। কিন্তু আজ বুধবার সকাল থেকে মহাসড়কে প্রচণ্ড চাপ। তুচ্ছ কারণে অনেক বাস আটকে আছে, কিন্তু দেখার কেউ নেই, পুলিশও চোখে পড়ছে না।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কে গরুবাহী ট্রাকের তেমন উপস্থিতি নেই। যানজট নিরসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর তৎপরতাও খুব একটা দেখা যায়নি।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
৬ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৬ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৬ ঘণ্টা আগে