সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েও আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি আশা করি, সরকার দলের এমপি হিসেবেই সংসদে যোগদান করব। আমি বিরোধী কোনো মোর্চার সঙ্গে নেই।’
আজ সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে সকাল ৮টায় ঢাকার সাভার থেকে তিন শতাধিক গাড়িবহর ও প্রায় দুই হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই বলেছি, এখনো বলছি, আমি সরকার দলের সঙ্গেই থাকব। আমি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্যারকে বলেছি, আমি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আপনি দয়া করে আমাকে সরকার দলে রাখবেন। উনি বলেছেন, ঠিক আছে। ঝুট-ঝামেলা শেষ হওয়ার পর আমার অফিসে আস। দেখি আমি কী করা যায়!’
সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঢাকা-১৯ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য আমার এলাকার নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসেছি। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে আমরা ধন্য।’
এ সময় নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন সাভারের পাথালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান, ইয়ারপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ সুমন ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মুরাদ জং ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। গত ৮ নভেম্বর আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাছে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্রভাবে ট্রাক মার্কায় নির্বাচনে অংশ নেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি ঢাকার আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েও আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি আশা করি, সরকার দলের এমপি হিসেবেই সংসদে যোগদান করব। আমি বিরোধী কোনো মোর্চার সঙ্গে নেই।’
আজ সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে সকাল ৮টায় ঢাকার সাভার থেকে তিন শতাধিক গাড়িবহর ও প্রায় দুই হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই বলেছি, এখনো বলছি, আমি সরকার দলের সঙ্গেই থাকব। আমি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্যারকে বলেছি, আমি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আপনি দয়া করে আমাকে সরকার দলে রাখবেন। উনি বলেছেন, ঠিক আছে। ঝুট-ঝামেলা শেষ হওয়ার পর আমার অফিসে আস। দেখি আমি কী করা যায়!’
সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঢাকা-১৯ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য আমার এলাকার নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসেছি। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে আমরা ধন্য।’
এ সময় নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন সাভারের পাথালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান, ইয়ারপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ সুমন ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মুরাদ জং ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। গত ৮ নভেম্বর আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাছে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্রভাবে ট্রাক মার্কায় নির্বাচনে অংশ নেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি ঢাকার আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

দীপু-মালেক জুটির পতনের মূল কারণ আস্থার সংকট ও আর্থিক অসংগতি। দীর্ঘদিন নিজেদের হাতে ব্যবসা পরিচালনার পর দায়িত্ব দিয়েছেন কর্মকর্তাদের হাতে। কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমে লেনদেন পরিচালনার সময় অনিয়ম ও অননুমোদিত লেনদেনের অভিযোগ ওঠে, যা পারস্পরিক সন্দেহের জন্ম দেয়।
৫ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সদরে একটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মণ পাট পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সরকারি টিঅ্যান্ডটি অফিসের সামনে সুনীল সাহার পাটের গুদামে আগুন লাগে।
৩৯ মিনিট আগে
বরগুনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার হলে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতার স্ত্রীসহ দুই চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে শিয়ালের কামড়ে জাহেরা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কামারখন্দ হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী।
২ ঘণ্টা আগে