নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ‘ইয়ং লিডার ফেলোশিপ প্রোগ্রামে’ অংশ নিয়ে প্রধান তিন রাজনৈতিক দলের ২৫ জন তরুণ নেতা গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করছেন। নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত চার মাসব্যাপী ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করায় আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
দেশের নয়টি জেলা থেকে আসা গ্র্যাজুয়েটরা ফেলোরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় নেতা। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল সিনিয়র কমিউনিকেশনস ম্যানেজার আরাফাত আলী সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইউএসএআইডির স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিল) প্রকল্পের আওতায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম বেশ কয়েক বছর ধরে বাস্তবায়ন করছে। এটি ছিল ফেলোশিপ প্রোগ্রামের ২৩তম ক্লাস। এখন পর্যন্ত দেশের মোট ৫৬১ জন তরুণ রাজনৈতিক নেতা এই কর্মসূচি থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
আয়োজকেরা জানান, ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো তরুণ নেতাদের রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা, রাজনৈতিক দলে তাঁদের অগ্রযাত্রাকে সমৃদ্ধ করা, অন্যান্য রাজনৈতিক দলে তাঁদের সমকক্ষদের প্রতি সহমর্মিতা বৃদ্ধি এবং পেশাদার সম্পর্ক তৈরি করা যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে পারে। ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে বাংলাদেশের তরুণ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বেশ সুপরিচিত কারণ এটি নেতৃত্ব এবং রাজনীতি বিষয়ে শেখার অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে যা সাধারণত অন্য কোথাও সুলভ নয়।
চার মাসব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব দক্ষতা, রাজনৈতিক চর্চা, দ্বন্দ্ব নিরসন, দল সুসংগঠিতকরণ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধিকরণ বিষয়ে বিশদ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন অংশগ্রহণকারীরা। এর পাশাপাশি তিন দলের সদস্যরা মিলে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে তারা কাজ করেছেন। যেমন, মেহেরপুর ও ময়মনসিংহের অনুন্নত এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন, সিলেটে একটি সড়কের বর্জ্য পরিষ্কার ও ৫০০টি ডাস্টবিন স্থাপন, চাঁদপুর পৌরসভা এলাকায় ডেঙ্গুমুক্ত করতে প্রচারাভিযান পরিচালনা, পটুয়াখালীতে পুকুর পরিষ্কারসহ আরও বেশ কিছু কার্যক্রম ফেলোশিপের আওতায় সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ফেলোরা।
গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবেও এসেছিলেন প্রধান তিন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। এ সময় দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তারা দেশের নাগরিকদের সেবা করার জন্য ফেলোশিপ কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সদস্যদের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এসপিএল প্রকল্পের চিফ অব পার্টি ডানা এল. ওল্ডস বলেন, ‘ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা নেতৃবৃন্দের মধ্যেকার সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ এবং তাঁদের নিজেদের জেলার সাধারণ মানুষের জন্য এক সঙ্গে কাজ করা প্রমাণ করে যে, ইতিবাচক, জনমুখী রাজনীতি সম্ভব।’
আমন্ত্রিত অতিথি ও এসপিএল প্রকল্পের চিফ অব পার্টি ফেলোদের হাতে সনদ তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাস, প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট রামিসা করিম ও সাবেক ফেলোরা।
ইউএসএআইডি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ৭ কোটি ডলারের বেশি প্রদান করেছে। ২০২০ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ২০ কোটিরও বেশি ডলার প্রদান করেছে ইউএসএআইডি বাংলাদেশে যে সকল কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনের প্রসার, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধাদির সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার উন্নয়ন ও অভিযোজন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো।

আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ‘ইয়ং লিডার ফেলোশিপ প্রোগ্রামে’ অংশ নিয়ে প্রধান তিন রাজনৈতিক দলের ২৫ জন তরুণ নেতা গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করছেন। নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত চার মাসব্যাপী ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করায় আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
দেশের নয়টি জেলা থেকে আসা গ্র্যাজুয়েটরা ফেলোরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় নেতা। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল সিনিয়র কমিউনিকেশনস ম্যানেজার আরাফাত আলী সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইউএসএআইডির স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিল) প্রকল্পের আওতায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম বেশ কয়েক বছর ধরে বাস্তবায়ন করছে। এটি ছিল ফেলোশিপ প্রোগ্রামের ২৩তম ক্লাস। এখন পর্যন্ত দেশের মোট ৫৬১ জন তরুণ রাজনৈতিক নেতা এই কর্মসূচি থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
আয়োজকেরা জানান, ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো তরুণ নেতাদের রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা, রাজনৈতিক দলে তাঁদের অগ্রযাত্রাকে সমৃদ্ধ করা, অন্যান্য রাজনৈতিক দলে তাঁদের সমকক্ষদের প্রতি সহমর্মিতা বৃদ্ধি এবং পেশাদার সম্পর্ক তৈরি করা যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে পারে। ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে বাংলাদেশের তরুণ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বেশ সুপরিচিত কারণ এটি নেতৃত্ব এবং রাজনীতি বিষয়ে শেখার অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে যা সাধারণত অন্য কোথাও সুলভ নয়।
চার মাসব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব দক্ষতা, রাজনৈতিক চর্চা, দ্বন্দ্ব নিরসন, দল সুসংগঠিতকরণ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধিকরণ বিষয়ে বিশদ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন অংশগ্রহণকারীরা। এর পাশাপাশি তিন দলের সদস্যরা মিলে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে তারা কাজ করেছেন। যেমন, মেহেরপুর ও ময়মনসিংহের অনুন্নত এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন, সিলেটে একটি সড়কের বর্জ্য পরিষ্কার ও ৫০০টি ডাস্টবিন স্থাপন, চাঁদপুর পৌরসভা এলাকায় ডেঙ্গুমুক্ত করতে প্রচারাভিযান পরিচালনা, পটুয়াখালীতে পুকুর পরিষ্কারসহ আরও বেশ কিছু কার্যক্রম ফেলোশিপের আওতায় সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ফেলোরা।
গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবেও এসেছিলেন প্রধান তিন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। এ সময় দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তারা দেশের নাগরিকদের সেবা করার জন্য ফেলোশিপ কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সদস্যদের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এসপিএল প্রকল্পের চিফ অব পার্টি ডানা এল. ওল্ডস বলেন, ‘ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা নেতৃবৃন্দের মধ্যেকার সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ এবং তাঁদের নিজেদের জেলার সাধারণ মানুষের জন্য এক সঙ্গে কাজ করা প্রমাণ করে যে, ইতিবাচক, জনমুখী রাজনীতি সম্ভব।’
আমন্ত্রিত অতিথি ও এসপিএল প্রকল্পের চিফ অব পার্টি ফেলোদের হাতে সনদ তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাস, প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট রামিসা করিম ও সাবেক ফেলোরা।
ইউএসএআইডি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ৭ কোটি ডলারের বেশি প্রদান করেছে। ২০২০ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ২০ কোটিরও বেশি ডলার প্রদান করেছে ইউএসএআইডি বাংলাদেশে যে সকল কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনের প্রসার, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধাদির সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার উন্নয়ন ও অভিযোজন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে