নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) খিলগাঁও থেকে অপহরণের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এ এই মামলা দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর মা।
মামলায় আসামি করা হয়েছে ৬ জনকে। তাঁরা হলেন ফজলে নিয়াজ বীর, তাঁর বড় বোন জান্নাতী, দুলাভাই আনোয়ার হোসেন, ফজলে নিয়াজের বাবা ফরিদ আহমেদ ও মা নাজমা আহমেদ এবং নিয়াজের বন্ধু সৌমেন সরকার।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম কবীর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে খিলগাঁও থানার ওসিকে মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মো. সাজ্জাদ হোসেন সবুজ। তিনি বলেন, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে খিলগাঁও থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বাদীর পরিবার হিন্দু ধর্মের অনুসারী। অন্যদিকে আসামিরা মুসলিম প্রভাবশালী লোক। বাদীর মেয়ে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির বাণিজ্য শাখার ছাত্রী। সে নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করার সময় নিয়াজ ও তাঁর বন্ধু সৌমেন প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে নিয়াজ বাদীর মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়ে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে ভয়ভীতি এবং হুমকি দিতে থাকেন নিয়াজ।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট স্কুলের পথ থেকে নিয়াজ অন্য আসামিদের সহযোগিতায় বাদীর মেয়েকে অপহরণ করেন। এ ঘটনায় বাদী খিলগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ২৩ আগস্ট বাদীর মেয়েকে ছেড়ে দেন আসামিরা। পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর নিয়াজ আবার বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করলে জনগণ তাঁকে আটক করে। এ সময় নিয়াজের বড় বোন জান্নাতী নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকার করে ছাড়িয়ে নেন। অঙ্গীকারনামায় বলা হয়, নিয়াজ আর কোনো দিন বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করবেন না। এরপর বাদীর মেয়ে ভিকটিম আসামিদের আচরণে ভয় পেয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা কমিয়ে দেয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর বাদীর মেয়ে বিকেল ৪টার দিকে অপর এক বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর ফেরত আসেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে নিয়াজের মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা জানান, নিয়াজকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাদী তখন নিশ্চিত হন যে নিয়াজ অন্যান্য আসামির সহযোগিতায় তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে আটকে রেখেছেন। বাদী আশঙ্কা করছেন, তাঁর মেয়েকে খুনও করা হতে পারে। মামলার বাদী তাঁর মেয়েকে জীবিত উদ্ধারের আরজি জানিয়েছেন।
মামলার বাদী আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনি যেকোনো উপায়ে হোক তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে চান। তিনি আরও বলেন, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার আতঙ্কিত এবং হুমকির মধ্যে আছেন।

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) খিলগাঁও থেকে অপহরণের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এ এই মামলা দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর মা।
মামলায় আসামি করা হয়েছে ৬ জনকে। তাঁরা হলেন ফজলে নিয়াজ বীর, তাঁর বড় বোন জান্নাতী, দুলাভাই আনোয়ার হোসেন, ফজলে নিয়াজের বাবা ফরিদ আহমেদ ও মা নাজমা আহমেদ এবং নিয়াজের বন্ধু সৌমেন সরকার।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম কবীর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে খিলগাঁও থানার ওসিকে মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মো. সাজ্জাদ হোসেন সবুজ। তিনি বলেন, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে খিলগাঁও থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বাদীর পরিবার হিন্দু ধর্মের অনুসারী। অন্যদিকে আসামিরা মুসলিম প্রভাবশালী লোক। বাদীর মেয়ে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির বাণিজ্য শাখার ছাত্রী। সে নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করার সময় নিয়াজ ও তাঁর বন্ধু সৌমেন প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে নিয়াজ বাদীর মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়ে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে ভয়ভীতি এবং হুমকি দিতে থাকেন নিয়াজ।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট স্কুলের পথ থেকে নিয়াজ অন্য আসামিদের সহযোগিতায় বাদীর মেয়েকে অপহরণ করেন। এ ঘটনায় বাদী খিলগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ২৩ আগস্ট বাদীর মেয়েকে ছেড়ে দেন আসামিরা। পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর নিয়াজ আবার বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করলে জনগণ তাঁকে আটক করে। এ সময় নিয়াজের বড় বোন জান্নাতী নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকার করে ছাড়িয়ে নেন। অঙ্গীকারনামায় বলা হয়, নিয়াজ আর কোনো দিন বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করবেন না। এরপর বাদীর মেয়ে ভিকটিম আসামিদের আচরণে ভয় পেয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা কমিয়ে দেয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর বাদীর মেয়ে বিকেল ৪টার দিকে অপর এক বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর ফেরত আসেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে নিয়াজের মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা জানান, নিয়াজকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাদী তখন নিশ্চিত হন যে নিয়াজ অন্যান্য আসামির সহযোগিতায় তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে আটকে রেখেছেন। বাদী আশঙ্কা করছেন, তাঁর মেয়েকে খুনও করা হতে পারে। মামলার বাদী তাঁর মেয়েকে জীবিত উদ্ধারের আরজি জানিয়েছেন।
মামলার বাদী আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনি যেকোনো উপায়ে হোক তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে চান। তিনি আরও বলেন, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার আতঙ্কিত এবং হুমকির মধ্যে আছেন।

প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ শহীদ সারোয়ার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি। কারাগারে বসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ হওয়ায়...
৩ ঘণ্টা আগে