জহিরুল আলম পিলু, শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা)

রাজধানীর জুরাইন এলাকার আলমবাগ ও হাজি রজ্জব আলী সরদার রোড বা মেডিকেল রোডে সারা বছরই জলাবদ্ধতা থাকায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। রাস্তার সংস্কার না করা, ///পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা এবং রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িসহ নানা কারণে এসব রাস্তায় সারা বছরই পানি থাকছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। অন্যদিকে বৃষ্টি দীর্ঘ সময় থাকলে এ ভোগান্তি যেন আরও বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে নালার পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। কয়েক বছর ধরে ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি পাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের।
ঢাকা–মাওয়া সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত জুরাইন মেডিকেল রোড ও আলমবাগ রাস্তা। বহুল ব্যস্ততম ও জনবহুল এলাকায় অবস্থিত এই দুটি রাস্তা। ফলে রাস্তা দুটি এলাকাবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব রাস্তার পাশে বাড়িঘর ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, অসংখ্য দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে কয়েক হাজার মানুষসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
এর মধ্যে অনেক বছর যাবৎ সংস্কার করা হচ্ছে না মেডিকেল রোড ও আলমবাগের রাস্তাটি। মেডিকেল রোডের বাসিন্দা মাহবুব বলেন, ‘অনেক বছর যাবৎ রাস্তাটি সংস্কার না করায় আমরা চরম দুর্ভোগে আছি। শুষ্ক মৌসুমেও রাস্তাটির অনেক জায়গায় পানি থাকে। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুম এলে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি তলিয়ে যায় কয়েক ফুট পানির নিচে। ফলে আমাদের হেঁটে যাওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়।’
এলাকার এক মুরব্বি হাসেম আলী জানান, এমনিতেই বৃষ্টি ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে এ রাস্তায় পানি জমে থাকে। আর সামান্য বৃষ্টি হলে এই নোংরা পানি পাড়িয়ে মসজিদে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এদিকে জুরাইন আলমবাগের রাস্তাটির খুবই করুণ অবস্থা। এখানের মূল রাস্তার কিছু অংশে সারা বছরই পানি জমে থাকে। ফলে বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। পানির কারণে রাস্তায় একপাশে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে আলমবাগ মাদ্রাসা থেকে হাজেরা হাইস্কুল পর্যন্ত রাস্তায় সারা বছরই পানি থাকে। ফলে শিশু শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের খুবই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
এলাকার বাসিন্দা সালাম বলেন, বয়স্ক রোগী নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া-আসা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। গাড়ি তো দূরের কথা, রিকশা চলাচলই প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, ‘কয়েক বছর যাবৎ এখানকার কিছু রাস্তায় পানি জমে থাকায় আমরা পড়েছি চরম ভোগান্তিতে। এখানে কোনো জনপ্রতিনিধি আছে বলে মনে হয় না।’
এ ব্যাপারে মেডিকেল রোড সংস্কারের ঠিকাদার মাসুক রহমান বলেন, ‘প্রায় ১৭ বছর যাবৎ মেডিকেল রোডটি সংস্কার হয় না। এটি সংস্কারের কাজ চলছে। আশা করি আগামী অক্টোবর–নভেম্বরে এর কাজ শেষ হবে।’
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজি মোহাম্মদ মাসুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দ্রুত এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমি প্রতিদিনই আলমবাগ গিয়ে কাজের তদারকি করি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বলি। কিন্তু ঠিকাদারের ধীর গতির কারণে কাজের দেরি হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসব রাস্তাঘাট তাড়াতাড়ি সংস্কারের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এসব সমস্যার সমাধান হবে।’
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অঞ্চল-৫–এর নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ আজকের পত্রিকা কে জানান, এ বছর একটু কষ্ট হবে। তবে আগামী বছর থেকে রাস্তায় পানি এবং জলাবদ্ধতা কিছুই থাকবে না।

রাজধানীর জুরাইন এলাকার আলমবাগ ও হাজি রজ্জব আলী সরদার রোড বা মেডিকেল রোডে সারা বছরই জলাবদ্ধতা থাকায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। রাস্তার সংস্কার না করা, ///পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা এবং রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িসহ নানা কারণে এসব রাস্তায় সারা বছরই পানি থাকছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। অন্যদিকে বৃষ্টি দীর্ঘ সময় থাকলে এ ভোগান্তি যেন আরও বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে নালার পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। কয়েক বছর ধরে ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি পাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের।
ঢাকা–মাওয়া সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত জুরাইন মেডিকেল রোড ও আলমবাগ রাস্তা। বহুল ব্যস্ততম ও জনবহুল এলাকায় অবস্থিত এই দুটি রাস্তা। ফলে রাস্তা দুটি এলাকাবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব রাস্তার পাশে বাড়িঘর ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, অসংখ্য দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে কয়েক হাজার মানুষসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
এর মধ্যে অনেক বছর যাবৎ সংস্কার করা হচ্ছে না মেডিকেল রোড ও আলমবাগের রাস্তাটি। মেডিকেল রোডের বাসিন্দা মাহবুব বলেন, ‘অনেক বছর যাবৎ রাস্তাটি সংস্কার না করায় আমরা চরম দুর্ভোগে আছি। শুষ্ক মৌসুমেও রাস্তাটির অনেক জায়গায় পানি থাকে। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুম এলে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি তলিয়ে যায় কয়েক ফুট পানির নিচে। ফলে আমাদের হেঁটে যাওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়।’
এলাকার এক মুরব্বি হাসেম আলী জানান, এমনিতেই বৃষ্টি ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে এ রাস্তায় পানি জমে থাকে। আর সামান্য বৃষ্টি হলে এই নোংরা পানি পাড়িয়ে মসজিদে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এদিকে জুরাইন আলমবাগের রাস্তাটির খুবই করুণ অবস্থা। এখানের মূল রাস্তার কিছু অংশে সারা বছরই পানি জমে থাকে। ফলে বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। পানির কারণে রাস্তায় একপাশে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে আলমবাগ মাদ্রাসা থেকে হাজেরা হাইস্কুল পর্যন্ত রাস্তায় সারা বছরই পানি থাকে। ফলে শিশু শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের খুবই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
এলাকার বাসিন্দা সালাম বলেন, বয়স্ক রোগী নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া-আসা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। গাড়ি তো দূরের কথা, রিকশা চলাচলই প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, ‘কয়েক বছর যাবৎ এখানকার কিছু রাস্তায় পানি জমে থাকায় আমরা পড়েছি চরম ভোগান্তিতে। এখানে কোনো জনপ্রতিনিধি আছে বলে মনে হয় না।’
এ ব্যাপারে মেডিকেল রোড সংস্কারের ঠিকাদার মাসুক রহমান বলেন, ‘প্রায় ১৭ বছর যাবৎ মেডিকেল রোডটি সংস্কার হয় না। এটি সংস্কারের কাজ চলছে। আশা করি আগামী অক্টোবর–নভেম্বরে এর কাজ শেষ হবে।’
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজি মোহাম্মদ মাসুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দ্রুত এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমি প্রতিদিনই আলমবাগ গিয়ে কাজের তদারকি করি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বলি। কিন্তু ঠিকাদারের ধীর গতির কারণে কাজের দেরি হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসব রাস্তাঘাট তাড়াতাড়ি সংস্কারের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এসব সমস্যার সমাধান হবে।’
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অঞ্চল-৫–এর নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ আজকের পত্রিকা কে জানান, এ বছর একটু কষ্ট হবে। তবে আগামী বছর থেকে রাস্তায় পানি এবং জলাবদ্ধতা কিছুই থাকবে না।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৩ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৩ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
৪ ঘণ্টা আগে