
ভবিষ্যতে কোনো প্রকার বিবাদে না জড়ানোর অঙ্গীকার করে রাজধানীর ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডির আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মৌখিক ‘শান্তিচুক্তি’ হয়েছে। তবে এই চুক্তিতে যোগ দিতে আসেননি সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার দুপুরে ঢাকা কলেজের অডিটরিয়ামে চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিবাদে না জড়ানোর অঙ্গীকার করেন।
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। কখনো কখনো তা ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের এই সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেমন বিপাকে পড়তে হয়, তেমনি ভোগান্তিতে পড়তে হয় রাস্তায় চলাচল করা সাধারণ মানুষদেরও।
তাই এই ‘শান্তিচুক্তি’ সম্পাদনের আয়োজন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিউমার্কেট থানা। ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হকের উদ্যোগে তিন কলেজের ‘শান্তিচুক্তি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘আমরা ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ “শান্তিচুক্তি” অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম, কিন্তু সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে আসেননি। এখানে আমরা কী করব বলেন?’
ওসি আরও বলেন, ‘তবে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা যে মৌখিকভাবে শান্তিচুক্তি করেছেন, আমরা বিষয়টিকে সাধুবাদ জানাই। পুলিশ, দুই কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আমরা একটি কমিটি করে দেব। ভবিষ্যতে যদি এই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোনো বিবাদ ঘটে, তা এই কমিটির মাধ্যমে সুরাহা করা হবে।’
এই ‘শান্তিচুক্তি’ যেন দীর্ঘদিন বজায় থাকে, সে কামনা করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা ‘শান্তিচুক্তি’ অনুষ্ঠানে এলে তাঁদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁদের কোলাকুলি করতেও দেখা যায়।
‘শান্তিচুক্তি’ অনুষ্ঠানে ওসি এ কে এম মাহফুজুল হক, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস, আইডিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রেযওয়ানুল হকসহ কলেজ দুটির শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
১৮ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জাতীয় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
৩৯ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে পাওয়া ফলাফলে এই তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সব আসনের ফলাফলে পোস্টাল ব্যালটের ফলও যুক্ত করা হয়েছে।
৪৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
১ ঘণ্টা আগে