
রাজধানীর বাড্ডায় দুই বাসের চাপায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড্ডা লিংক রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় সহকর্মী তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক সন্ধ্যা ৬টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কাশেম আজাদ (৩৪)। তিনি ব্যাংকের সাপোর্টিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার শেকদি গ্রামে। বাবার নাম আবুল কালাম আজাদ। বর্তমানে খিলক্ষেত এলাকায় থাকতেন।
হাসপাতালে ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার মো. ইখতেয়ার হোসেন জানান, বিকেলে মোবাইল ফোনে তাঁদের কাছে খবর আসে, বাড্ডা লিংক রোডে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়েছেন কাশেম। তাঁকে পথচারীরা স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। পরে সেখানে গিয়ে তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। পথচারীরা জানান, রাস্তা পারাপারের সময় রাইদা ও ভিক্টর বাসের মাঝে চাপা পড়েন। সেখান থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
ইখতেয়ার হোসেন আরও জানান, খিলক্ষেত ব্রাঞ্চ অফিসে সাপোর্টিং স্টাফ হিসেবে চাকরি করতেন কাশেম। অফিসের ফাইল নিয়েই গুলশান হেড অফিসে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরা-পশ্চিম থানাধীন একটি হোটেলের কক্ষ থেকে লি শিংচিয়াং (৪০) নামে এক চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৭ মিনিট আগে
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কবর থেকে দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পায়। পরে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় দরবার শরিফ প্রাঙ্গণ থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করে আগের কবরস্থানেই পুনরায় দাফন করা হয়।
৯ মিনিট আগে
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে ইয়ার্ড কলোনিতে একটি ছাতিমগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম এম ডি বাঁধন (২৩)। তিনি সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনি মহল্লার মাসুদ রানার ছেলে।
২৪ মিনিট আগে
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে