ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতেরা হলেন সেলিম মিয়া (৩০) ও মিরাজ হোসেন (২৫)।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাশেম রোডে বাসচাপায় আহত হন সেলিম। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন মিরাজ। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে এলে ভোর ৫টার দিকে মৃত্যু হয় তাঁর।
সেলিমের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় থাকতেন। তিনি সময় পরিবহন নামে বাসের চালক ছিলেন। রাতে গাড়ি চালানো শেষ করে চিটাগাং রোডে গাড়ি পার্কিং করে রাখেন সেলিম। এরপর সেখান থেকে মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকায় এসে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন সেলিম ও আরেক চালক সাদ্দাম হোসেন (২৩)। হাশেম রোডে এলে পেছন দিক থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাস রিকশাটিতে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশা আরোহী সেলিম ও সাদ্দাম ও রিকশাচালক ছিটকে রাস্তায় পড়েন। গুরুতর আহত হন সেলিম। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম সেলিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। দুর্ঘটনার পরপর সেখান থেকে গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছে। গাড়িটি জব্দ এবং এর চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।’
নিহত মিরাজের চাচাতো ভাই মো. নাজমুল হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলায়। যাত্রাবাড়ী কাজলা নয়ানগর এলাকায় থাকতেন। তিনি দরজির কাজ করতেন। মিরাজের বাবার নাম লোকমান খান। তাঁর বাবা-মা আজ ভোরে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর থেকে লঞ্চে সদরঘাটে আসার কথা ছিল। তাঁদের আনার জন্য কাজলার বাসা থেকে সদরঘাট যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন মিরাজ। পথে অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তুহিন মিয়া বলেন, ‘ভোরে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় আহত অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। তখন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। কোন গাড়ির ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা জানতে পারিনি। তবে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতেরা হলেন সেলিম মিয়া (৩০) ও মিরাজ হোসেন (২৫)।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাশেম রোডে বাসচাপায় আহত হন সেলিম। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন মিরাজ। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে এলে ভোর ৫টার দিকে মৃত্যু হয় তাঁর।
সেলিমের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় থাকতেন। তিনি সময় পরিবহন নামে বাসের চালক ছিলেন। রাতে গাড়ি চালানো শেষ করে চিটাগাং রোডে গাড়ি পার্কিং করে রাখেন সেলিম। এরপর সেখান থেকে মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকায় এসে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন সেলিম ও আরেক চালক সাদ্দাম হোসেন (২৩)। হাশেম রোডে এলে পেছন দিক থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাস রিকশাটিতে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশা আরোহী সেলিম ও সাদ্দাম ও রিকশাচালক ছিটকে রাস্তায় পড়েন। গুরুতর আহত হন সেলিম। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম সেলিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। দুর্ঘটনার পরপর সেখান থেকে গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছে। গাড়িটি জব্দ এবং এর চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।’
নিহত মিরাজের চাচাতো ভাই মো. নাজমুল হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলায়। যাত্রাবাড়ী কাজলা নয়ানগর এলাকায় থাকতেন। তিনি দরজির কাজ করতেন। মিরাজের বাবার নাম লোকমান খান। তাঁর বাবা-মা আজ ভোরে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর থেকে লঞ্চে সদরঘাটে আসার কথা ছিল। তাঁদের আনার জন্য কাজলার বাসা থেকে সদরঘাট যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন মিরাজ। পথে অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তুহিন মিয়া বলেন, ‘ভোরে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় আহত অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। তখন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। কোন গাড়ির ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা জানতে পারিনি। তবে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩৫ মিনিট আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৪৩ মিনিট আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
১ ঘণ্টা আগে