
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক পরিদর্শক এ কে এম মনজুর আলম ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার দুদকের কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা মামলাটি দায়ের করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কর্মকর্তা। তিনি জানান, মামলায় মনজুর আলমের স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ২৫ লাখ ১৩ হাজার ৬১৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, নার্গিস আক্তার বর্তমানে তাঁর স্বামী, সন্তানসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। নার্গিস আক্তার একজন পৃথক আয়করদাতা। আয়কর নথিতে তিনি মৎস্য এবং হস্ত ও কুটির শিল্পের ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন।
সূত্র জানায়, অনুসন্ধানে নার্গিস আক্তারের নিজ নামে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯১৬ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু নার্গিস আক্তারের আয়কর নথিসহ অন্যান্য রেকর্ডপত্রে ৬২ লাখ ৫২ হাজার ৩০০ টাকার সম্পদের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। অর্থাৎ দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর বিরুদ্ধে ২৫ লাখ ১৩ হাজার ৬১৬ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। যা মূলত তাঁর স্বামীর অবৈধ আয় থেকে অর্জিত বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ হয়।
ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেন তাঁরা।
১১ মিনিট আগে
মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের চাচাতো ভাই ও তাঁর সমর্থক আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার বাদী হাবু মিয়া অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ২৭ আসামি আগাম জামিন নেন। এরপর ৮ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালত থেকে এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১৬ জন পুনরায় জামিন পান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি, বিপুল পরিমাণ হাড়সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার চারজন কঙ্কাল চোর চক্রের সদস্য বলে জানায় পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও থানার একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
১ ঘণ্টা আগে