Ajker Patrika

নজরুলের চেতনা ধারণ করে শান্তি ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে হবে: ঢাবি উপাচার্য

ঢাবি প্রতিনিধি
নজরুলের চেতনা ধারণ করে শান্তি ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে হবে: ঢাবি উপাচার্য
কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আয়োজিত স্মরণসভায় নজরুলের আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, নজরুলের জীবন ও সাহিত্য আমাদের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখায়; তাঁর দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

সোমবার (২৫ মে) জাতীয় কবির সমাধি প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, বহু ঘাত-প্রতিঘাত, অভাব-অনটন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও কাজী নজরুল ইসলামের সৃজনশীলতা থেমে থাকেনি। বাংলা সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় তাঁর ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও সফল বিচরণ। তিনি নজরুলকে সাম্যের কবি, বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি, শান্তির কবি এবং সব্যসাচী কবি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা ও চর্চার মাধ্যমে জাতীয় কবির দর্শন, সাহিত্য ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তাঁর চেতনা ধারণের মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব।

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম ‘দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি নজরুল’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা দেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন।

জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সমবেত হন। সেখান থেকে শোভাযাত্রা সহকারে কবির সমাধিতে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত