
গান, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, সাংবাদিকতা, চলচ্চিত্র—শিল্প-সাহিত্যের প্রায় সব জায়গায় স্বাক্ষর রেখেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। এই জনপদের স্বাধীনতাসংগ্রামেও জড়িয়ে আছে তাঁর নাম। জাতীয় কবিও তিনি। তাঁর নামে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আছে ইনস্টিটিউট। গবেষকেরা বলছেন, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় নজরুল এবং তাঁর কাজ উপেক্

মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকার কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, সহজ-সরল ভাষা এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ। তিনি কোনো জটিল কৃত্রিমতা ছাড়াই মানুষের আবেগ ও গ্রামীণ সৌন্দর্যকে কবিতায় ফুটিয়ে তুলতেন। তাঁর লেখায় সমসাময়িক সমাজ আর মানবিকতা স্থান পেয়েছে। তিনি মূলত একজন গীতিকবি ছিলেন।

বর্তমানের পুঁজিবাদী উন্নয়ন ধারা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে এবং প্রকৃতির সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করছে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, এই ধারা পরিবর্তন করে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে মানবজাতির ভবিষ্যৎ বিপন্ন হবে।

যা করার তা করছি আমি আর কি আমার করার? যার যার তেল টেল যার যার চেষ্টায় করো এইবার জোগাড়।