আজকের পত্রিকা ডেস্ক

টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইভ্যালির প্রতারিত ভুক্তভোগী গ্রাহকবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে ইভ্যালির প্রতারিত ভুক্তভোগী গ্রাহকবৃন্দের প্রধান সমন্বয়ক আবিদ খান বলেন, ‘আমরা বিগত সরকারের সময়েও দাবি জানিয়েছি, এখনো জানাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই সরকার জনগণের সরকার। আমাদের ন্যায্য দাবি। আমরা কেন টাকা ফেরত পাব না।’
মানববন্ধনে অবিলম্বে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ এবং ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের দেশ ছাড়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানানো হয়।

টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইভ্যালির প্রতারিত ভুক্তভোগী গ্রাহকবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে ইভ্যালির প্রতারিত ভুক্তভোগী গ্রাহকবৃন্দের প্রধান সমন্বয়ক আবিদ খান বলেন, ‘আমরা বিগত সরকারের সময়েও দাবি জানিয়েছি, এখনো জানাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই সরকার জনগণের সরকার। আমাদের ন্যায্য দাবি। আমরা কেন টাকা ফেরত পাব না।’
মানববন্ধনে অবিলম্বে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ এবং ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের দেশ ছাড়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানানো হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে