রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় জুয়েল মিয়া (৩৮) নামের এক যুবক মারা গেছেন। পেশায় তিনি রিকশাচালক ছিলেন। এ ঘটনায় তপন রায় (৪০) নামের আরেক যাত্রী আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (২২ মে) বেলা ৩টার দিকে উত্তর বাড্ডায় কামরুলের বিরিয়ানির দোকানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
হাসপাতালে মৃত জুয়েল মিয়ার শ্যালক আজিজুল মিয়া জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার নায়েকপুর গ্রামে। জুয়েলের বাবার নাম আব্দুল কাদির। তাঁরা গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকায় থাকতেন। ছয় মাস আগে তাঁর বোন সাজেদাকে বিয়ে করেন জুয়েল।
আজিজুল আরও জানান, সকালে রিকশা নিয়ে বের হন জুয়েল। আফতাবনগর এলাকায় সার্জেন্ট রিকশা ধরে মামলা দেয়। দুপুরে ডাম্পিং করা রিকশা থেকে ব্যাটারি খুলে আরেক রিকশায় করে কালাচাঁদপুর যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান ধাক্কায় দেয়। এতে ছিটকে পড়ে জুয়েল ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে আফতাবনগর থেকে রিকশায় দুই যাত্রী গুলশান কালাচাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় কাভার্ড ভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে জুয়েল ছিটকে পড়ে চাকায় পৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। আরেক যাত্রী তপন রায় আহত হন।
এসআই আরও জানান, ঘটনার পরপরই কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে এবং এর চালককে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরা-পশ্চিম থানাধীন একটি হোটেলের কক্ষ থেকে লি শিংচিয়াং (৪০) নামে এক চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৭ মিনিট আগে
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কবর থেকে দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পায়। পরে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় দরবার শরিফ প্রাঙ্গণ থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করে আগের কবরস্থানেই পুনরায় দাফন করা হয়।
৯ মিনিট আগে
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে ইয়ার্ড কলোনিতে একটি ছাতিমগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম এম ডি বাঁধন (২৩)। তিনি সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনি মহল্লার মাসুদ রানার ছেলে।
২৪ মিনিট আগে
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে