
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের মতো কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। ভেতরে কোনো মরদেহ বা হতাহত কেউ আছে কিনা তা তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে।
আজ রোববার সকালে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পোড়া ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে কারখানার প্রত্যেকটি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগুন পুরোপুরি কারখানা নিভে গেছে, তবে এলাকাটি ঝুঁকিমুক্ত করতে এখনো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন। পাশাপাশি ভেতরে কোনো হতাহত ব্যক্তি আটকা পড়ে আছে কিনা তাও খোঁজা হচ্ছে।
গতকাল শনিবার বিকেল ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলী চৌরাস্তায় একটি গ্যাস লাইট কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুজন গুরুতর আহত হন। তাঁদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর কারখানার ভেতর থেকে একে একে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারকে ২ লাখ টাকা এবং আহত ও চিকিৎসাধীন প্রত্যেক শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
আরও পড়ুন:

‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোর গোদনাইল শাখার কর্মকর্তা মঞ্জিল মোর্শেদের বাড়ির বারান্দার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতেরা ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের হাত-পা ও চোখমুখ বেঁধে ফেলে।
৩১ মিনিট আগে
নিহতের ছেলে শাহীন আলম জানান, তাঁর বাবা ছাতির বাজার এলাকায় তাজউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস ও কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও খাওয়াদাওয়া শেষে ঘরের এক কোণে রাখা চৌকিতে ঘুমিয়ে পড়েন।
৩৩ মিনিট আগে
পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে এখন উৎসবের আমেজ। পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু, পাতা, চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে নানান আয়োজনে মেতেছে পাহাড়ি নানা সম্প্রদায়ের লোকজন।
১ ঘণ্টা আগে