মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও লতব্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বর্ষার পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। মাঠজুড়ে পানি থাকায় দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দুই বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ আশপাশের কিশোর-তরুণেরা।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, মাঠ পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বারান্দায়ই দৌড়াদৌড়ি করছে। মাঠে নামতে না পারায় কোনো ধরনের খেলাধুলা করতে পারছে না তারা। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাঠের উত্তর পাশে দুটি বিদ্যালয় ভবন, পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে সড়ক এবং পূর্ব পাশে জনবসতি থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে পানি জমে যায়। বর্তমানে পুরো মাঠ পানির নিচে ডুবে রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছুটির পর কিংবা অবসরে মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না।
লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব হাসান বলে, ‘ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার মতো জায়গা আমাদের নেই। মাঠে পানি জমে থাকে বলে আমরা খেলতে পারি না। এতে খুব কষ্ট হয়।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম বলেন, মাঠে পানি থাকায় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি যাতায়াতেও ঝুঁকি রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ২৩২ জন।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম জানান, তাঁদের বিদ্যালয়ে ২৮৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই মাঠ ডুবে যায়। ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারছে না। মাঠ ভরাটের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।

লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব ওসমান হারুন ভূঁইয়া বলেন, মাঠটি এলাকাবাসীরও একমাত্র খেলার জায়গা। এখন পানিতে তলিয়ে থাকায় শিক্ষার্থী ও তরুণেরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। খেলাধুলা না করতে পেরে অনেকে মোবাইল ও নেশায় আসক্ত হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা আক্তার বলেন, ‘মাঠের বিষয়ে আমরা অবগত। মাঠ উঁচু করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।’

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও লতব্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বর্ষার পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। মাঠজুড়ে পানি থাকায় দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দুই বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ আশপাশের কিশোর-তরুণেরা।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, মাঠ পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বারান্দায়ই দৌড়াদৌড়ি করছে। মাঠে নামতে না পারায় কোনো ধরনের খেলাধুলা করতে পারছে না তারা। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাঠের উত্তর পাশে দুটি বিদ্যালয় ভবন, পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে সড়ক এবং পূর্ব পাশে জনবসতি থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে পানি জমে যায়। বর্তমানে পুরো মাঠ পানির নিচে ডুবে রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছুটির পর কিংবা অবসরে মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না।
লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব হাসান বলে, ‘ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার মতো জায়গা আমাদের নেই। মাঠে পানি জমে থাকে বলে আমরা খেলতে পারি না। এতে খুব কষ্ট হয়।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম বলেন, মাঠে পানি থাকায় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি যাতায়াতেও ঝুঁকি রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ২৩২ জন।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম জানান, তাঁদের বিদ্যালয়ে ২৮৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই মাঠ ডুবে যায়। ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারছে না। মাঠ ভরাটের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।

লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব ওসমান হারুন ভূঁইয়া বলেন, মাঠটি এলাকাবাসীরও একমাত্র খেলার জায়গা। এখন পানিতে তলিয়ে থাকায় শিক্ষার্থী ও তরুণেরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। খেলাধুলা না করতে পেরে অনেকে মোবাইল ও নেশায় আসক্ত হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা আক্তার বলেন, ‘মাঠের বিষয়ে আমরা অবগত। মাঠ উঁচু করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১০ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১৪ মিনিট আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪১ মিনিট আগে