ঢামেক প্রতিবেদক

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খান (১৯) নামের এক ভারতীয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে আজ রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ওই শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের এজিএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। মেডিকেল কলেজটির এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর বাবার নাম আব্দুল আজিজ খান।
এজিএম আরও জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায় মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ফরেন হোস্টেলে থাকতেন নিদা খান। তাঁর রুমমেটরাও ভারতীয় নাগরিক। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত রুমমেটদের সঙ্গে পড়ালেখা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এরপর নিজের কক্ষে চলে যান। রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তাঁর পাশের কক্ষের শিক্ষার্থীরা তাঁকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পাননি।
পরে রাত ২টার দিকে হোস্টেল সুপারসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমে প্রবেশ করেন। নিদাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস অবস্থায় দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে কলেজটির ফরেন হোস্টেল থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
এসআই আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গতকাল একটি পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে নিদা খানকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে সারা দিন হতাশায় ছিলেন তিনি। এ কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্য কোনো ঘটনা বা কারণ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খান (১৯) নামের এক ভারতীয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে আজ রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ওই শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের এজিএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। মেডিকেল কলেজটির এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর বাবার নাম আব্দুল আজিজ খান।
এজিএম আরও জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায় মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ফরেন হোস্টেলে থাকতেন নিদা খান। তাঁর রুমমেটরাও ভারতীয় নাগরিক। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত রুমমেটদের সঙ্গে পড়ালেখা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এরপর নিজের কক্ষে চলে যান। রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তাঁর পাশের কক্ষের শিক্ষার্থীরা তাঁকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পাননি।
পরে রাত ২টার দিকে হোস্টেল সুপারসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমে প্রবেশ করেন। নিদাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস অবস্থায় দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে কলেজটির ফরেন হোস্টেল থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
এসআই আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গতকাল একটি পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে নিদা খানকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে সারা দিন হতাশায় ছিলেন তিনি। এ কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্য কোনো ঘটনা বা কারণ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগে ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থীরা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, কুশল বিনিময় এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে ভোটারদের অনেকে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
১১ মিনিট আগে
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার কার্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগম। অফিস করেন টয়োটা ব্র্যান্ডের ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিনের একটি পিকআপে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাড়িটির মালিক ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর।
১১ মিনিট আগে
ব্যক্তিগত ক্ষমতার প্রদর্শনে সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রীয় একটি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র। পাবনার টেবুনিয়ায় বিএডিসি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র শিক্ষার্থীদের মোবাইলে কল করে এবং ফেসবুকে নানাভাবে হয়রানি করছে। শারীরিকভাবে ক্যাম্পাসে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তাঁরা। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
২৬ মিনিট আগে