নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবরুদ্ধের এক মাস পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে অর্ধশত কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অ্যাডভোকেট তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তৌফিকা করিম সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
আজ শনিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করা হয়েছে। কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আকতারুল বলেন, আসামি অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের নামে বৈধ আয়বহির্ভূতভাবে অর্জন করা ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ২৯৮ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা তাঁর আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। যে কারণে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎসে রয়েছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৭ হাজার ৭২৬ টাকা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তৌফিকা করিমের নিজ নামে ৮৮টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব লেনদেনের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি এই বিপুল সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ ছাড়া, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তাঁর নামে ৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিকানা অর্জন, ইউনাইটেড ব্যাংক ও সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসিতে ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে দুদক।
দুদক সূত্রে জানা যায়, তৌফিকা সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের আস্থাভাজন ছিলেন। সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আইন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বিচারিক আদালতে নিয়োগ, বদলি, জামিনসহ বিভিন্ন অবৈধ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ এবং অন্যান্য নামে বিপুল আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
তৌফিকা করিম নিজের নামে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারেন, এমন সন্দেহে ব্যাংকে থাকা অর্থ অবরুদ্ধ করতে গত ২৩ এপ্রিল আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৌফিকা করিমের নিজ নামে থাকা ৩৮ ব্যাংক হিসাবে থাকা ৪১ কোটি ৬৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৩ টাকা অবরুদ্ধের নির্দেশ দেয় আদালত। এর আগে একই আদালত গত ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

অবরুদ্ধের এক মাস পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে অর্ধশত কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অ্যাডভোকেট তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তৌফিকা করিম সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
আজ শনিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করা হয়েছে। কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আকতারুল বলেন, আসামি অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের নামে বৈধ আয়বহির্ভূতভাবে অর্জন করা ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ২৯৮ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা তাঁর আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। যে কারণে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎসে রয়েছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৭ হাজার ৭২৬ টাকা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তৌফিকা করিমের নিজ নামে ৮৮টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব লেনদেনের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি এই বিপুল সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ ছাড়া, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তাঁর নামে ৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিকানা অর্জন, ইউনাইটেড ব্যাংক ও সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসিতে ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে দুদক।
দুদক সূত্রে জানা যায়, তৌফিকা সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের আস্থাভাজন ছিলেন। সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আইন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বিচারিক আদালতে নিয়োগ, বদলি, জামিনসহ বিভিন্ন অবৈধ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ এবং অন্যান্য নামে বিপুল আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
তৌফিকা করিম নিজের নামে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারেন, এমন সন্দেহে ব্যাংকে থাকা অর্থ অবরুদ্ধ করতে গত ২৩ এপ্রিল আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৌফিকা করিমের নিজ নামে থাকা ৩৮ ব্যাংক হিসাবে থাকা ৪১ কোটি ৬৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৩ টাকা অবরুদ্ধের নির্দেশ দেয় আদালত। এর আগে একই আদালত গত ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে