নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জনগণকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকার ব্যর্থ মন্তব্য করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘জনগণকে রক্ষা করতে পারবেন না, নিজেদের লোকদেরও বাঁচাতে পারবেন না, অতএব চলে যান। এই সরকার চলে গেলে আরেকটা ডাকাত আসবে কেন? আমরা সরকার করব, ওরা বাদ।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নাগরিক ঐক্য ‘নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ব্যবস্থার মেরামত চাই’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে। এতে দলটির আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এ কথা বলেন।
মান্না বলেন, ‘সরকার গঠন হবে; আমরা করব। আমরা জনগণের অধিকার দেব, আমরা স্বাস্থ্য দেব, শিক্ষা দেব, সেবা দেব, নিরাপদ সড়ক দেব, নারীর সম্ভ্রম দেব, গণতন্ত্র দেব, ভোট দেব। সমস্ত কর্মসূচি আমাদের কল্যাণ রাষ্ট্রের কর্মসূচি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত যে সরকার হবে; অন্তর্বর্তী সরকার বলেন, মধ্যবর্তী সরকার বলেন, যে সরকারই বলেন না কেন, সেই সরকার (এমন) হতে হবে, যে ধীরে ধীরে দেশকে একটা কল্যাণ রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যেতে পারবে। নাগরিক ঐক্য সেই রকম একটা দেশ গড়তে পারবে। কে করবে তা ছাড়া? আর কেউ পারলে বলুক—আমরা পারি।’
কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা একটা কল্যাণ রাষ্ট্র করতে চাই। সেই কল্যাণ রাষ্ট্রে আমাদের যে লক্ষ্য, আমাদের যে ভাবনা, সেইটা প্রতিষ্ঠিত করব, যখন এরা বিদায় নিবে, এদের বিদায় নিতে হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী বলেন, ‘আন্দোলন অনেকভাবেই হয়। তবে আন্দোলন থেকে যে ধরনের চিন্তা সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে, সেই চিন্তার জায়গা থেকে এই আন্দোলন অনেক পথ এগিয়ে গেছে। যারা নিরাপদ সড়কের সঙ্গে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সম্পর্ক করতে জানে, সেটা একটা বড় ধরনের কাজ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ হোক বা অন্য দেশ হোক, নতুন প্রজন্মের মাথা থেকে নতুন চিন্তা বের হয়। তার ভিত্তিতে নতুন আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। আমরা আশা করি, এই প্রজন্ম যেভাবে বর্তমানটাকে বুঝছে, এতে করে তারা আরও দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুত নিতে পারবে।’
দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে উল্লেখ করে জুনায়েদ সাকী বলেন, শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে হয়তো বুঝে গেছে, তাদের বন্ধু-সহকর্মীর মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা এটা মানতে রাজি ছিলেন না কারণ, একটি ঘটনা যদি প্রতিদিন ঘটে, তবে সেটাকে দুর্ঘটনা বলা যায় না। সবকিছু মিলেই মানুষ মারার একটা ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা যে একটি হত্যাকাণ্ড, যদি এটাকে এখন কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড বলা হয়, সেটা ভুল বলা হবে না। পুরো একটা অনিয়ম ও ব্যবস্থার কারণে এভাবে মানুষকে হত্যার শিকার হতে হচ্ছে। সবাই মিলে যেন সবাইকে মেরে ফেলার পাঁয়তারা করছে। এই জায়গা থেকে আন্দোলনে আসলেও তারা দ্রুত উপলব্ধি করলেন, আলাদা করে নিরাপদ সড়ক তৈরি করা যাচ্ছে না। পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে না বদলালে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।’
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

জনগণকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকার ব্যর্থ মন্তব্য করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘জনগণকে রক্ষা করতে পারবেন না, নিজেদের লোকদেরও বাঁচাতে পারবেন না, অতএব চলে যান। এই সরকার চলে গেলে আরেকটা ডাকাত আসবে কেন? আমরা সরকার করব, ওরা বাদ।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নাগরিক ঐক্য ‘নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ব্যবস্থার মেরামত চাই’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে। এতে দলটির আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এ কথা বলেন।
মান্না বলেন, ‘সরকার গঠন হবে; আমরা করব। আমরা জনগণের অধিকার দেব, আমরা স্বাস্থ্য দেব, শিক্ষা দেব, সেবা দেব, নিরাপদ সড়ক দেব, নারীর সম্ভ্রম দেব, গণতন্ত্র দেব, ভোট দেব। সমস্ত কর্মসূচি আমাদের কল্যাণ রাষ্ট্রের কর্মসূচি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত যে সরকার হবে; অন্তর্বর্তী সরকার বলেন, মধ্যবর্তী সরকার বলেন, যে সরকারই বলেন না কেন, সেই সরকার (এমন) হতে হবে, যে ধীরে ধীরে দেশকে একটা কল্যাণ রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যেতে পারবে। নাগরিক ঐক্য সেই রকম একটা দেশ গড়তে পারবে। কে করবে তা ছাড়া? আর কেউ পারলে বলুক—আমরা পারি।’
কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা একটা কল্যাণ রাষ্ট্র করতে চাই। সেই কল্যাণ রাষ্ট্রে আমাদের যে লক্ষ্য, আমাদের যে ভাবনা, সেইটা প্রতিষ্ঠিত করব, যখন এরা বিদায় নিবে, এদের বিদায় নিতে হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী বলেন, ‘আন্দোলন অনেকভাবেই হয়। তবে আন্দোলন থেকে যে ধরনের চিন্তা সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে, সেই চিন্তার জায়গা থেকে এই আন্দোলন অনেক পথ এগিয়ে গেছে। যারা নিরাপদ সড়কের সঙ্গে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সম্পর্ক করতে জানে, সেটা একটা বড় ধরনের কাজ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ হোক বা অন্য দেশ হোক, নতুন প্রজন্মের মাথা থেকে নতুন চিন্তা বের হয়। তার ভিত্তিতে নতুন আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। আমরা আশা করি, এই প্রজন্ম যেভাবে বর্তমানটাকে বুঝছে, এতে করে তারা আরও দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুত নিতে পারবে।’
দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে উল্লেখ করে জুনায়েদ সাকী বলেন, শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে হয়তো বুঝে গেছে, তাদের বন্ধু-সহকর্মীর মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা এটা মানতে রাজি ছিলেন না কারণ, একটি ঘটনা যদি প্রতিদিন ঘটে, তবে সেটাকে দুর্ঘটনা বলা যায় না। সবকিছু মিলেই মানুষ মারার একটা ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা যে একটি হত্যাকাণ্ড, যদি এটাকে এখন কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড বলা হয়, সেটা ভুল বলা হবে না। পুরো একটা অনিয়ম ও ব্যবস্থার কারণে এভাবে মানুষকে হত্যার শিকার হতে হচ্ছে। সবাই মিলে যেন সবাইকে মেরে ফেলার পাঁয়তারা করছে। এই জায়গা থেকে আন্দোলনে আসলেও তারা দ্রুত উপলব্ধি করলেন, আলাদা করে নিরাপদ সড়ক তৈরি করা যাচ্ছে না। পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে না বদলালে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।’
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে