গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের (২০২১ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থী) শিক্ষার্থীরা গতকাল সোমবার গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছে।
জানা যায়, গত বছর করোনা মহামারির কারণে এসএসসি পরীক্ষা আংশিক (৩টি বিষয়ে) অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেসব বিষয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি, সেসব বিষয়ে নেওয়া ফরম পূরণের অর্থ শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ফেরত দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা বোর্ড ফি থেকে ৩১০ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা শিক্ষার্থীদের। তবে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই অর্থ পায়নি বলে অভিযোগ তুলেছে। এ ছাড়াও বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন টাকা ফেরত পেলেও বিভিন্ন কৌশলে ৭০ শিক্ষার্থীর অর্থ ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার গোয়ালন্দের ইউএনওর কাছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা।
আক্কাছ আলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থী মো. জনি প্রামাণিক বলে, ‘শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ফেরত প্রদান করা টাকা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক আমাকে অপমান ও ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেন। এবং বলেন, “বিদ্যালয়ের বেতন বাবদ ওই টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।” এ ছাড়া প্রশংসাপত্র আনতে গেলে ওই অতিরিক্ত টাকা প্রাপ্তির স্বাক্ষরসহ প্রশংসাপত্র বাবদ আরও ২০০ টাকা আদায় করেন।’
অপর এক শিক্ষার্থী মো. আতিয়ার রহমান বলে, ‘আমার বেতন মওকুফ ছিল। তারপরও আমার টাকা ফেরত দেননি হেড স্যার। তিনি আমাদের টাকা আত্মসাৎ করায় আমরা বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছি।’
এদিকে নদীভাঙনের কারণে হাইস্কুলটি কয়েক বছর আগে আইনদ্দিন বেপারীপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। আগের স্থানে থাকা স্কুলঘরটি অনুমতি ছাড়া বিক্রি করে সেই টাকাও প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
এসব বিষয়ে দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুমতি সাপেক্ষেই তাদের ফরম পূরণের টাকা প্রদান করা হয়নি। এ মর্মে তারা স্বাক্ষরও করেছে।
ওই টাকা আত্মসাৎ করেননি দাবি করে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টাকা আমার কাছে আছে, কেউ এখনো ফেরত চাইলে তা দিয়ে দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রির ব্যাপারে তিনি জানান, ৫২ হাজার টাকায় ওই ঘর বিক্রি করা হয়। সেই টাকা বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতির কাছে ছিল। তিনি ওই টাকা স্কুল ফান্ডে জমা দেননি। এ কারণে ওই টাকার আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাবও বিদ্যালয়ের নথিতে নেই।
এ ব্যাপারে ইউএনও মো. আজিজুল হক খান বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের (২০২১ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থী) শিক্ষার্থীরা গতকাল সোমবার গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছে।
জানা যায়, গত বছর করোনা মহামারির কারণে এসএসসি পরীক্ষা আংশিক (৩টি বিষয়ে) অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেসব বিষয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি, সেসব বিষয়ে নেওয়া ফরম পূরণের অর্থ শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ফেরত দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা বোর্ড ফি থেকে ৩১০ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা শিক্ষার্থীদের। তবে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই অর্থ পায়নি বলে অভিযোগ তুলেছে। এ ছাড়াও বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন টাকা ফেরত পেলেও বিভিন্ন কৌশলে ৭০ শিক্ষার্থীর অর্থ ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার গোয়ালন্দের ইউএনওর কাছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা।
আক্কাছ আলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থী মো. জনি প্রামাণিক বলে, ‘শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ফেরত প্রদান করা টাকা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক আমাকে অপমান ও ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেন। এবং বলেন, “বিদ্যালয়ের বেতন বাবদ ওই টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।” এ ছাড়া প্রশংসাপত্র আনতে গেলে ওই অতিরিক্ত টাকা প্রাপ্তির স্বাক্ষরসহ প্রশংসাপত্র বাবদ আরও ২০০ টাকা আদায় করেন।’
অপর এক শিক্ষার্থী মো. আতিয়ার রহমান বলে, ‘আমার বেতন মওকুফ ছিল। তারপরও আমার টাকা ফেরত দেননি হেড স্যার। তিনি আমাদের টাকা আত্মসাৎ করায় আমরা বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছি।’
এদিকে নদীভাঙনের কারণে হাইস্কুলটি কয়েক বছর আগে আইনদ্দিন বেপারীপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। আগের স্থানে থাকা স্কুলঘরটি অনুমতি ছাড়া বিক্রি করে সেই টাকাও প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
এসব বিষয়ে দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুমতি সাপেক্ষেই তাদের ফরম পূরণের টাকা প্রদান করা হয়নি। এ মর্মে তারা স্বাক্ষরও করেছে।
ওই টাকা আত্মসাৎ করেননি দাবি করে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টাকা আমার কাছে আছে, কেউ এখনো ফেরত চাইলে তা দিয়ে দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রির ব্যাপারে তিনি জানান, ৫২ হাজার টাকায় ওই ঘর বিক্রি করা হয়। সেই টাকা বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতির কাছে ছিল। তিনি ওই টাকা স্কুল ফান্ডে জমা দেননি। এ কারণে ওই টাকার আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাবও বিদ্যালয়ের নথিতে নেই।
এ ব্যাপারে ইউএনও মো. আজিজুল হক খান বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে