
ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের ‘দেহ ব্যবসায়ী’ বলায় ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কলেজ শাখার নেত্রী সামিয়া আক্তার বৈশাখীকে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের একাংশ।
আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় কলেজের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান তাঁরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা মুখ ঢেকে রেখেছিলেন। সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে মানববন্ধনে দাঁড়ালেও তাঁরা কেউই সম্পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি। তবে মানববন্ধনে থাকা বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার অনুসারী বলে জানা গেছে।
মানববন্ধনে হাতে লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীরা বলেন, হাতেগোনা কয়েকজন ছাত্রীর জন্য ইডেনের ৪০ হাজার ছাত্রী সম্পর্কে মানুষ খারাপ কথা বলছে। বাসা থেকে হল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। যার জন্য আমাদের এই অবস্থার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, আমরা সেই বৈশাখীর বহিষ্কার চাই। তাকে স্থায়ীভাবে ক্যাম্পাস থেকে নিষিদ্ধ করা হোক।
তাসলিমা আক্তার নামের একজন ছাত্রী বলেন, ‘চার বছর ধরে হলে থাকি। এমন আত্মীয়-স্বজনরাও আজকাল ফোন দিচ্ছে, যারা আগে কখনো খোঁজখবর নিতেন না। এখন বিভিন্নভাবে টিটকারি দিচ্ছেন।’
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং পদ-পদবির জন্যই নেত্রীরা কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন। আর তার প্রভাব পড়ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে এসেছিলেন। এসব প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ইডেন কলেজের হাজারো ছাত্রীর সম্ভ্রম নিয়ে কথা বলার সাহস বহিষ্কৃতরা পেল কোথায়?’ ‘ইডেন নিয়ে মিথ্যাচার বন্ধ করতে হবে’, ‘কুলাঙ্গার নেত্রীদের জায়গা এই ক্যাম্পাসে হবে না’।
শিক্ষার্থীরা বৈশাখীসহ যেসব বহিষ্কৃত নেত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘অসত্য’ মন্তব্য করেছেন তাঁদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। তাঁরা বলেন, ‘বৈশাখীর মন্তব্যের কারণে ইডেনের শিক্ষার্থীরা সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।’
মুখ ঢেকে রাখার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা প্রত্যেকেই পরিবার, প্রতিবেশী, স্বজনদের তির্যক মন্তব্য শুনছি। পরিবারের মানুষদেরও নানারকম কথা শুনতে হচ্ছে। এ জন্য বাধ্য হয়ে মুখ ঢেকে দাঁড়িয়েছি।
মানববন্ধন শেষে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। তবে তাঁরা কেউই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

ঢাকার আশুলিয়ায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর আব্দুর রহমান (৫) নামের এক শিশুর হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়...
১৬ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী গৃহবধূ শাহানা আক্তার বলেন, ‘দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে মুখ চেপে ধরে আমাকে বাথরুমে বন্দী করে রাখে। তখন আমার ছেলে স্কুলে থাকায় বাসায় একা ছিলাম। তারা আমার সন্তানকে বাসার নিচে জিম্মি করা হয়েছে বলে জানায়। এরপর ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে বেরিয়ে যায় তারা দুজন।’
৪১ মিনিট আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বস্তির আয়না নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে নিয়মিত মাদকের কেনাবেচা চলে। সেখানে মাদকের পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় পথচারী ও বাইরে থেকে আসা লোকজনকে আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও চুরির ঘটনায় নাইম গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর পুনরায় তিনি চুরি-ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। জগৎপট্টি, জগন্নাথকাঠি ও শর্ষিনা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
১ ঘণ্টা আগে