নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ১০০ আসন চায় উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব)। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ওয়েব সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নাসরিন আউয়াল বলেন, ‘আমরা সংসদে ১০০ জন নারীর আসন দেখতে চাই। নারীর আসন যদি বেশি হয়, তবে ভালো হবে। কারণ, নারীরা সবকিছু বোঝে ভালো। আপনারা দেখবেন, নারীরা যেমন ঘরও সামলায়, তেমনিভাবে সংসারের কাজও সামলায়। নারীরা যদি আসে, তবে ভালো হবে, নারীর দ্বারা সব কাজ ভালোমতো করা সম্ভব।’
নাসরিন আউয়াল আরও বলেন, ‘আমরা সিইসির সঙ্গে দেখা করলাম। কিছু বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনে নারীর ক্ষমতায়ন। নারীকে সেইভাবে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করা হয় না। আমরা চাই নারীরা অংশগ্রহণ করুক। নারীরা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে। অনেক দিন নারী-পুরুষ ভোট দিতে পারি নাই। এবার সবাই সমানভাবে ভোটে অংশ নিতে চাই। ভোট এমনভাবে হবে, যেন নারী-পুরুষ একসঙ্গে ভোট দিতে পারে। আসন্ন নির্বাচনে নারীর জন্য ১০০টি আসন চাই। আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। আমাদের যেন সমানভাবে সুযোগ দেওয়া হয়। পুরুষদের মাইন্ড সেট চেঞ্জ করতে হবে। আমরা মনে করি, নারীদের সব জায়গায় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত। নারীরা পুরুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চায়। আমরা সামনেও যেতে চাই না, পেছনেও যেতে চাই না।’
সিইসিকে লিখিত প্রস্তাব দেওয়া প্রসঙ্গে ওয়েব সভাপতি বলেন, ‘১০০ আসনের বিষয়ে লিখিত দিইনি, মৌখিকভাবে দিয়েছি। তবে লিখিতভাবে বলেছি, আসন্ন ভোটে আমাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে যেন রাখা হয়। সিইসি আমাদের সব কথা শুনেছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন। আমরা নারীর বৈষম্য দেখতে চাই না। আমরা শুনতে চাই, নারীর বৈষম্য শেষ হয়েছে। হবে, এটা শুনতে চাই না। সংসদে নারী খুবই কম। নারী সংসদে না এলে নারী সামনে যেতে পারবে না।’

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ১০০ আসন চায় উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব)। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ওয়েব সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নাসরিন আউয়াল বলেন, ‘আমরা সংসদে ১০০ জন নারীর আসন দেখতে চাই। নারীর আসন যদি বেশি হয়, তবে ভালো হবে। কারণ, নারীরা সবকিছু বোঝে ভালো। আপনারা দেখবেন, নারীরা যেমন ঘরও সামলায়, তেমনিভাবে সংসারের কাজও সামলায়। নারীরা যদি আসে, তবে ভালো হবে, নারীর দ্বারা সব কাজ ভালোমতো করা সম্ভব।’
নাসরিন আউয়াল আরও বলেন, ‘আমরা সিইসির সঙ্গে দেখা করলাম। কিছু বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনে নারীর ক্ষমতায়ন। নারীকে সেইভাবে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করা হয় না। আমরা চাই নারীরা অংশগ্রহণ করুক। নারীরা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে। অনেক দিন নারী-পুরুষ ভোট দিতে পারি নাই। এবার সবাই সমানভাবে ভোটে অংশ নিতে চাই। ভোট এমনভাবে হবে, যেন নারী-পুরুষ একসঙ্গে ভোট দিতে পারে। আসন্ন নির্বাচনে নারীর জন্য ১০০টি আসন চাই। আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। আমাদের যেন সমানভাবে সুযোগ দেওয়া হয়। পুরুষদের মাইন্ড সেট চেঞ্জ করতে হবে। আমরা মনে করি, নারীদের সব জায়গায় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত। নারীরা পুরুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চায়। আমরা সামনেও যেতে চাই না, পেছনেও যেতে চাই না।’
সিইসিকে লিখিত প্রস্তাব দেওয়া প্রসঙ্গে ওয়েব সভাপতি বলেন, ‘১০০ আসনের বিষয়ে লিখিত দিইনি, মৌখিকভাবে দিয়েছি। তবে লিখিতভাবে বলেছি, আসন্ন ভোটে আমাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে যেন রাখা হয়। সিইসি আমাদের সব কথা শুনেছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন। আমরা নারীর বৈষম্য দেখতে চাই না। আমরা শুনতে চাই, নারীর বৈষম্য শেষ হয়েছে। হবে, এটা শুনতে চাই না। সংসদে নারী খুবই কম। নারী সংসদে না এলে নারী সামনে যেতে পারবে না।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে