নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার তেজকুনিপাড়া এলাকার সামছুদ্দিন লেনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে অন্তত ২৫০ পরিবার। স্বামী ও চার মেয়েকে নিয়ে থাকতেন কুলসুম বেগম। কাজ করেন নাবিস্কো বিস্কুট কারখানায়। গতকাল সোমবার সকালে মেয়েদের বাসায় রেখে কাজে যান। রাত ৮টার দিকে বাসায় আগুনের খবর পেয়ে ছুটে আসেন। কিন্তু মানুষের ভিড় ঠেলে বাসার কাছাকাছি আসতে পারেননি। তবে রাত পেরিয়ে দিনের আলো ফুটতেই বুঝতে পারেন আগুনের তীব্র লেলিহানে প্রাণ ছাড়া বাঁচেনি কিছুই।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কুলসুম বেগম যে বাড়িটিতে ভাড়া থাকতেন, সেটাসহ দুটি বাড়ি আগুনে পুড়ে ধসে গেছে। সব এখন শুধু ছাইয়ের স্তূপ। ঘর যে স্থানটিতে ছিল সেখানে ছাই সরিয়ে কিছু একটা খোঁজার চেষ্টা করছেন। ছাইয়ের স্তূপের মাঝে বসে কুলসুম বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগে আমার স্বামী একাই ঢাকায় থাকতেন। সাত বছর আগে খালি হাতে সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় আসি। অনেক কষ্টে সংসারে মালামাল জোগাইছি। কিন্তু এক আগুনেই সব পুড়ে ছাই। কিছুই বাঁচাতে পারিনি। এখন ছাইয়ের মধ্যে খোঁজার চেষ্টা করছি যদি কিছু পাই।’
শরীরের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই জানিয়ে কুলসুম বলেন, যখন আগুন লাগে তখন মেয়েরা বাসায় ছিল। আগুন দেখে ওরা বের হয়ে গেছে। শরীরে থাকা এই কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই। কয়েক ঘণ্টার আগুনে কুলসুম ও তাঁর প্রতিবেশীরা এখন নিঃস্ব।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগুনের সূত্রপাত শামছুদ্দিনের ছেলে শরীফ উদ্দিনের টিন দিয়ে তিনতলা করা বাড়িটি থেকে। আশপাশের পাঁচটি বাড়িতে আগুন ছড়ায়। এই বাড়িটিতে ৯০টি ঘর। তিনতলার যে ঘরটি থেকে আগুনের সূত্রপাত সেটি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।
বাড়িটির তৃতীয় তলার বাসিন্দা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গাড়ি (রিকশা) চালিয়ে বাসায় এসে মাত্রই গোসল সেরেছি। এরই মধ্যে ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায় চারদিক। তিনতলার বেশির ভাগ ঘর ব্যাচেলরদের কাছে ভাড়া দেওয়া। সন্ধ্যার দিকে অনেকেই কাজে ছিলেন। কয়েকটা বাদে সবগুলো ঘরে তালা ছিল। কোন রুম থেকে আগুন লেগেছে সেটি খোঁজার চেষ্টা করি। দুইটা রুমের তালাও ভেঙেছিলাম। এরপর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আমরা থাকতে পারিনি। রাস্তায় বের হতেই আগুন বড় হয়ে যায়।’
একই বাড়ির মুদিদোকানি মো. ফারুক হোসেন বলেন, সন্ধ্যা ৭টার কিছু পরে তিন তলায় আগুন লাগে। আগুনের খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করতে করতেই চারপাশে ছড়িয়ে যায়। এই বাড়ির নিচে একটা ভাঙারির দোকান ছিল। দোকানে বিভিন্ন কেমিক্যালের খালি ড্রাম এনে পরিষ্কার করা হতো। বাড়ির ভেতরে কয়েকটা রুমেও সেগুলো রাখা ছিল। এই ড্রামগুলোর কারণেই আগুন আরও বেশি ছড়ায়।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে একটি গাড়ি আসে। তারা কাজ শুরু করার ৩-৪ মিনিটের মাথায় বলে পানি নাই। এরপরে ফায়ার সার্ভিসের অন্য গাড়িগুলো যখন আসে তখন ছয়টা বাড়িতেই আগুন ছড়িয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফিউল্লাহ শফি বলেন, ‘অন্তত আড়াই শ ঘর পুড়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত ২২২টি পরিবারের তালিকা করেছি। চেষ্টা করছি পাশে দাঁড়াতে। তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার ও পানি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া তাদের কাপড়চোপড়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকা জেলা প্রশাসন ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কর্মকর্তারা এসেছেন। আমরা তাঁদের সহযোগিতা করছি।’

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার তেজকুনিপাড়া এলাকার সামছুদ্দিন লেনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে অন্তত ২৫০ পরিবার। স্বামী ও চার মেয়েকে নিয়ে থাকতেন কুলসুম বেগম। কাজ করেন নাবিস্কো বিস্কুট কারখানায়। গতকাল সোমবার সকালে মেয়েদের বাসায় রেখে কাজে যান। রাত ৮টার দিকে বাসায় আগুনের খবর পেয়ে ছুটে আসেন। কিন্তু মানুষের ভিড় ঠেলে বাসার কাছাকাছি আসতে পারেননি। তবে রাত পেরিয়ে দিনের আলো ফুটতেই বুঝতে পারেন আগুনের তীব্র লেলিহানে প্রাণ ছাড়া বাঁচেনি কিছুই।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কুলসুম বেগম যে বাড়িটিতে ভাড়া থাকতেন, সেটাসহ দুটি বাড়ি আগুনে পুড়ে ধসে গেছে। সব এখন শুধু ছাইয়ের স্তূপ। ঘর যে স্থানটিতে ছিল সেখানে ছাই সরিয়ে কিছু একটা খোঁজার চেষ্টা করছেন। ছাইয়ের স্তূপের মাঝে বসে কুলসুম বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগে আমার স্বামী একাই ঢাকায় থাকতেন। সাত বছর আগে খালি হাতে সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় আসি। অনেক কষ্টে সংসারে মালামাল জোগাইছি। কিন্তু এক আগুনেই সব পুড়ে ছাই। কিছুই বাঁচাতে পারিনি। এখন ছাইয়ের মধ্যে খোঁজার চেষ্টা করছি যদি কিছু পাই।’
শরীরের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই জানিয়ে কুলসুম বলেন, যখন আগুন লাগে তখন মেয়েরা বাসায় ছিল। আগুন দেখে ওরা বের হয়ে গেছে। শরীরে থাকা এই কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই। কয়েক ঘণ্টার আগুনে কুলসুম ও তাঁর প্রতিবেশীরা এখন নিঃস্ব।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগুনের সূত্রপাত শামছুদ্দিনের ছেলে শরীফ উদ্দিনের টিন দিয়ে তিনতলা করা বাড়িটি থেকে। আশপাশের পাঁচটি বাড়িতে আগুন ছড়ায়। এই বাড়িটিতে ৯০টি ঘর। তিনতলার যে ঘরটি থেকে আগুনের সূত্রপাত সেটি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।
বাড়িটির তৃতীয় তলার বাসিন্দা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গাড়ি (রিকশা) চালিয়ে বাসায় এসে মাত্রই গোসল সেরেছি। এরই মধ্যে ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায় চারদিক। তিনতলার বেশির ভাগ ঘর ব্যাচেলরদের কাছে ভাড়া দেওয়া। সন্ধ্যার দিকে অনেকেই কাজে ছিলেন। কয়েকটা বাদে সবগুলো ঘরে তালা ছিল। কোন রুম থেকে আগুন লেগেছে সেটি খোঁজার চেষ্টা করি। দুইটা রুমের তালাও ভেঙেছিলাম। এরপর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আমরা থাকতে পারিনি। রাস্তায় বের হতেই আগুন বড় হয়ে যায়।’
একই বাড়ির মুদিদোকানি মো. ফারুক হোসেন বলেন, সন্ধ্যা ৭টার কিছু পরে তিন তলায় আগুন লাগে। আগুনের খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করতে করতেই চারপাশে ছড়িয়ে যায়। এই বাড়ির নিচে একটা ভাঙারির দোকান ছিল। দোকানে বিভিন্ন কেমিক্যালের খালি ড্রাম এনে পরিষ্কার করা হতো। বাড়ির ভেতরে কয়েকটা রুমেও সেগুলো রাখা ছিল। এই ড্রামগুলোর কারণেই আগুন আরও বেশি ছড়ায়।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে একটি গাড়ি আসে। তারা কাজ শুরু করার ৩-৪ মিনিটের মাথায় বলে পানি নাই। এরপরে ফায়ার সার্ভিসের অন্য গাড়িগুলো যখন আসে তখন ছয়টা বাড়িতেই আগুন ছড়িয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফিউল্লাহ শফি বলেন, ‘অন্তত আড়াই শ ঘর পুড়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত ২২২টি পরিবারের তালিকা করেছি। চেষ্টা করছি পাশে দাঁড়াতে। তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার ও পানি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া তাদের কাপড়চোপড়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকা জেলা প্রশাসন ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কর্মকর্তারা এসেছেন। আমরা তাঁদের সহযোগিতা করছি।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে