মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে দুই শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাদের মায়ের বিরুদ্ধে। আজ বুধবার বিকেলে ঘরের দরজা ভেঙে বিছানা থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাশেই বসা ছিলেন মা।
আজ বুধবার বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানির পর নিহতের বাড়িতে আশপাশের লোকজন ভিড় করছেন।
নিহত দুই শিশুর নাম জান্নাত (৩) ও মেহেরাজ (১)। তারা তাহমিনা বেগম ও মো. হালিম খান দম্পতির সন্তান।
পুলিশ, স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় দুই মাস আগে ভাড়া আসেন তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের পরিবার। তাঁদের সঙ্গে তাঁর মেয়ে তাহমিনা বেগম (২৫) তাঁর দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার শ্বশুরবাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। তাঁর স্বামী মো. হালিম খান সৌদি আরব থাকেন। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তাহমিনার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।
আজ বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তাঁর দুই সন্তান জান্নাত (৩) ও মেহেরাজকে (১) হত্যা করে। এ সময় ঘরের মধ্যে একটি রুমের দরজা আটকে মৃত সন্তানের পাশেই বসে থাকেন তিনি। তাহমিনা বেগমের মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’
তাহমিনার মা নার্গিস বেগম বলেন, ‘আমি ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়েছিলাম। এসে দেখি ও দুই সন্তানসহ তার ঘরের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। কিছুতেই দরজা খোলে না। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাহমিনাকে বসে থাকতে দেখে। এ সময় তাঁর দুই সন্তানকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে আমরা বুঝতে পারি ওর দুই সন্তান মারা গেছে। ওর মানসিক সমস্যা আছে, তাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফোন পেয়ে এসে দেখি ঘরের মধ্যে একটি রুমের দরজা বন্ধ। পরে আমরা দরজা ভেঙে দেখতে পাই, মা তাহমিনা আক্তার খাটের এক পাশে বসে আছেন। আর দুই সন্তান মৃত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। আমরা অভিযুক্ত মাকে আটক করে থানা হেফাজতে এনেছি।’
তিনি আরও বলেন, দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মারা যাওয়ার কারণ জানা যাবে। তা ছাড়া মায়ের মানসিক সমস্যা আছে কি না, তা তদন্ত করা হবে।

মাদারীপুরে দুই শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাদের মায়ের বিরুদ্ধে। আজ বুধবার বিকেলে ঘরের দরজা ভেঙে বিছানা থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাশেই বসা ছিলেন মা।
আজ বুধবার বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানির পর নিহতের বাড়িতে আশপাশের লোকজন ভিড় করছেন।
নিহত দুই শিশুর নাম জান্নাত (৩) ও মেহেরাজ (১)। তারা তাহমিনা বেগম ও মো. হালিম খান দম্পতির সন্তান।
পুলিশ, স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় দুই মাস আগে ভাড়া আসেন তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের পরিবার। তাঁদের সঙ্গে তাঁর মেয়ে তাহমিনা বেগম (২৫) তাঁর দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার শ্বশুরবাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। তাঁর স্বামী মো. হালিম খান সৌদি আরব থাকেন। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তাহমিনার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।
আজ বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তাঁর দুই সন্তান জান্নাত (৩) ও মেহেরাজকে (১) হত্যা করে। এ সময় ঘরের মধ্যে একটি রুমের দরজা আটকে মৃত সন্তানের পাশেই বসে থাকেন তিনি। তাহমিনা বেগমের মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’
তাহমিনার মা নার্গিস বেগম বলেন, ‘আমি ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়েছিলাম। এসে দেখি ও দুই সন্তানসহ তার ঘরের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। কিছুতেই দরজা খোলে না। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাহমিনাকে বসে থাকতে দেখে। এ সময় তাঁর দুই সন্তানকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে আমরা বুঝতে পারি ওর দুই সন্তান মারা গেছে। ওর মানসিক সমস্যা আছে, তাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফোন পেয়ে এসে দেখি ঘরের মধ্যে একটি রুমের দরজা বন্ধ। পরে আমরা দরজা ভেঙে দেখতে পাই, মা তাহমিনা আক্তার খাটের এক পাশে বসে আছেন। আর দুই সন্তান মৃত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। আমরা অভিযুক্ত মাকে আটক করে থানা হেফাজতে এনেছি।’
তিনি আরও বলেন, দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মারা যাওয়ার কারণ জানা যাবে। তা ছাড়া মায়ের মানসিক সমস্যা আছে কি না, তা তদন্ত করা হবে।

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
৫ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
৬ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে