সাইফুল মাসুম, রূপগঞ্জ থেকে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র আট দিন। এরই মধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী মাঠ। আজ শুক্রবার রূপগঞ্জের চনপাড়া, পূর্বগ্রাম, মুড়াপাড়া, ইছাখালী, রূপসা ও বরপা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো জনপদ।
আসনটিতে এবার নয়জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের মাঠে ভালো অবস্থানে রয়েছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), সোনালী আঁশ প্রতীকে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার ও কেটলি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ভূঁইয়া। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে রূপগঞ্জে ত্রিমুখী লড়াই হবে। এতে সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে সমর্থনের পাল্লাটা ভারী।
বেলা ১১টায় রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা বাসস্ট্যান্ডে নৌকার পোস্টার হাতে শতাধিক মানুষের এক জটলা চোখে পড়ে। কিছু সময় পরে সেখানে আসেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ৭৫ বছর বয়সী আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা আসার পর বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষমাণ মানুষ সরব হয়ে ওঠেন। নৌকার এই প্রার্থীকে সামনে রেখে চলতে থাকে নির্বাচনী প্রচার। মাঝেমধ্যে ‘উন্নয়নের নৌকা, গাজীর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা’ সমবেত কণ্ঠে এমন স্লোগান দিতে থাকেন ভোটের প্রচারে অংশ নেওয়া কর্মীরা।
নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছেন বরপা ৬ নম্বর ওয়ার্ড বাসিন্দা মমতাজ বেগম (৪০)। তাঁর কাছে জানতে চাই, তিনি কেন ভোট চাইছেন? মমতাজ বলেন, ‘আমাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা এমপির কাছে সহজে বলতে পারি। সপ্তাহের শুক্র-শনিবার তিনি নিয়ম করে এলাকার মানুষকে সময় দেন। এ ছাড়া তিনি এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। মমতাজের প্রত্যাশা, গাজী এবার নির্বাচিত হলে রূপগঞ্জবাসীর গ্যাস-সংকটও দূর করবেন।’
বরপা লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলসংলগ্ন রাস্তায় চলে দস্তগীর গাজীর জনসংযোগ। নৌকার এই প্রার্থী নিজেই লিফলেট বিতরণ করেন শ্রমজীবী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। এ সময় তিনি রূপগঞ্জের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে নৌকায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।
রূপগঞ্জের উন্নয়নের বিষয়ে গোলাম দস্তগীর গাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০০৮ সালে রূপগঞ্জে টিনের ঘর, বেড়ার ঘর ছাড়া আর কিছুই ছিল না। বিদ্যুৎ, পানি না থাকায় এলাকাটি শিল্প-কারখানা তৈরির উপযোগী ছিল না। আমি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে যোগাযোগব্যবস্থা ও বিদ্যুতে হাত দিই। শতভাগ বিদ্যুৎ বাস্তবায়নের ফলে এখন অনেক শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। এতে এলাকার তরুণ-যুবকদের পাশাপাশি অন্য অঞ্চলের অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।’
বরপা মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন গোলাম দস্তগীর গাজী। এ সময় এলাকাবাসী ও মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে আজকের পত্রিকার প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বরপা এলাকার বাসিন্দা তৃতীয় লিঙ্গের তিনজনের সঙ্গে। তাঁরা হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা, ববি ও জুমকা। তাঁরা বলেন, ‘এমপির কাছে যখন যে কাজে গেছি, তিনি খালি হাতে ফেরাননি।’
আজ বিকেলে বীর প্রতীক গাজী সেতুসংলগ্ন মুড়াপাড়ার একটি দোকানে চা খেতে খেতে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেকের সঙ্গে। তিনি রূপসী-কাঞ্চন রোডে অটোরিকশা চালান। মালেক বলেন, আগে মুড়াপাড়া থেকে ইছাখালী পাঁচ টাকা দিয়ে খেয়ানৌকায় শীতলক্ষ্যা নদী পার হতেন। অনেক সময় লাগত, দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো ছিলই। কিন্তু গাজী সেতু হওয়ার পর সেসব এখন ইতিহাস। জানা গেছে, ৭৪ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই গাজী সেতু ২০২০ সালে চালু হয়েছে। আব্দুল মালেক আরও জানান, ভূলতা ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় রূপগঞ্জে এখন কোনো জ্যাম নেই।
ভোটের মাঠে রাজনৈতিক সমীকরণ যেটাই থাকুক, সমর্থনের পাল্লা নৌকার দিকে বেশি বলে মনে করেন রূপগঞ্জের চনপাড়ার ৯ নম্বরের চা বিক্রেতা শাহেদা বেগম। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে রূপগঞ্জের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ইটের রাস্তা পাকা হয়েছে। প্রার্থী ফ্যাক্ট না, বঙ্গবন্ধুর নামেই আমরা নৌকায় ভোট দেব।’
রূপগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির তথ্য অনুসারে, গত ১৪ বছরে রূপগঞ্জ উপজেলায় সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় ৩৪৯ কিলোমিটার। কালভার্ট নির্মিত হয়েছে ১৪টি, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে ২৩১টি। সড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে ৩৮ কিলোমিটার। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে ৯৭টি। জানা গেছে, ১৯৮৬ সাল থেকে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টি একবার, বিএনপি তিনবার ও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র আট দিন। এরই মধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী মাঠ। আজ শুক্রবার রূপগঞ্জের চনপাড়া, পূর্বগ্রাম, মুড়াপাড়া, ইছাখালী, রূপসা ও বরপা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো জনপদ।
আসনটিতে এবার নয়জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের মাঠে ভালো অবস্থানে রয়েছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), সোনালী আঁশ প্রতীকে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার ও কেটলি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ভূঁইয়া। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে রূপগঞ্জে ত্রিমুখী লড়াই হবে। এতে সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে সমর্থনের পাল্লাটা ভারী।
বেলা ১১টায় রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা বাসস্ট্যান্ডে নৌকার পোস্টার হাতে শতাধিক মানুষের এক জটলা চোখে পড়ে। কিছু সময় পরে সেখানে আসেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ৭৫ বছর বয়সী আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা আসার পর বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষমাণ মানুষ সরব হয়ে ওঠেন। নৌকার এই প্রার্থীকে সামনে রেখে চলতে থাকে নির্বাচনী প্রচার। মাঝেমধ্যে ‘উন্নয়নের নৌকা, গাজীর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা’ সমবেত কণ্ঠে এমন স্লোগান দিতে থাকেন ভোটের প্রচারে অংশ নেওয়া কর্মীরা।
নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছেন বরপা ৬ নম্বর ওয়ার্ড বাসিন্দা মমতাজ বেগম (৪০)। তাঁর কাছে জানতে চাই, তিনি কেন ভোট চাইছেন? মমতাজ বলেন, ‘আমাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা এমপির কাছে সহজে বলতে পারি। সপ্তাহের শুক্র-শনিবার তিনি নিয়ম করে এলাকার মানুষকে সময় দেন। এ ছাড়া তিনি এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। মমতাজের প্রত্যাশা, গাজী এবার নির্বাচিত হলে রূপগঞ্জবাসীর গ্যাস-সংকটও দূর করবেন।’
বরপা লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলসংলগ্ন রাস্তায় চলে দস্তগীর গাজীর জনসংযোগ। নৌকার এই প্রার্থী নিজেই লিফলেট বিতরণ করেন শ্রমজীবী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। এ সময় তিনি রূপগঞ্জের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে নৌকায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।
রূপগঞ্জের উন্নয়নের বিষয়ে গোলাম দস্তগীর গাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০০৮ সালে রূপগঞ্জে টিনের ঘর, বেড়ার ঘর ছাড়া আর কিছুই ছিল না। বিদ্যুৎ, পানি না থাকায় এলাকাটি শিল্প-কারখানা তৈরির উপযোগী ছিল না। আমি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে যোগাযোগব্যবস্থা ও বিদ্যুতে হাত দিই। শতভাগ বিদ্যুৎ বাস্তবায়নের ফলে এখন অনেক শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। এতে এলাকার তরুণ-যুবকদের পাশাপাশি অন্য অঞ্চলের অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।’
বরপা মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন গোলাম দস্তগীর গাজী। এ সময় এলাকাবাসী ও মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে আজকের পত্রিকার প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বরপা এলাকার বাসিন্দা তৃতীয় লিঙ্গের তিনজনের সঙ্গে। তাঁরা হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা, ববি ও জুমকা। তাঁরা বলেন, ‘এমপির কাছে যখন যে কাজে গেছি, তিনি খালি হাতে ফেরাননি।’
আজ বিকেলে বীর প্রতীক গাজী সেতুসংলগ্ন মুড়াপাড়ার একটি দোকানে চা খেতে খেতে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেকের সঙ্গে। তিনি রূপসী-কাঞ্চন রোডে অটোরিকশা চালান। মালেক বলেন, আগে মুড়াপাড়া থেকে ইছাখালী পাঁচ টাকা দিয়ে খেয়ানৌকায় শীতলক্ষ্যা নদী পার হতেন। অনেক সময় লাগত, দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো ছিলই। কিন্তু গাজী সেতু হওয়ার পর সেসব এখন ইতিহাস। জানা গেছে, ৭৪ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই গাজী সেতু ২০২০ সালে চালু হয়েছে। আব্দুল মালেক আরও জানান, ভূলতা ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় রূপগঞ্জে এখন কোনো জ্যাম নেই।
ভোটের মাঠে রাজনৈতিক সমীকরণ যেটাই থাকুক, সমর্থনের পাল্লা নৌকার দিকে বেশি বলে মনে করেন রূপগঞ্জের চনপাড়ার ৯ নম্বরের চা বিক্রেতা শাহেদা বেগম। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে রূপগঞ্জের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ইটের রাস্তা পাকা হয়েছে। প্রার্থী ফ্যাক্ট না, বঙ্গবন্ধুর নামেই আমরা নৌকায় ভোট দেব।’
রূপগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির তথ্য অনুসারে, গত ১৪ বছরে রূপগঞ্জ উপজেলায় সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় ৩৪৯ কিলোমিটার। কালভার্ট নির্মিত হয়েছে ১৪টি, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে ২৩১টি। সড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে ৩৮ কিলোমিটার। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে ৯৭টি। জানা গেছে, ১৯৮৬ সাল থেকে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টি একবার, বিএনপি তিনবার ও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
১৮ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২৫ মিনিট আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে