বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বাড়ির ছাদে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশু রিয়া গোপ (৬) নিহতের ১১ বছর পর মামলা করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিছিলকারীদের ওপর গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় গুলশান হলের পেছনে দীপক কুমারের পাঁচতলা বাড়ির ছাদে রিয়া গোপ খেলাধুলা করার সময়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাকে প্রথমে ভিক্টোরিয়া ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ২৪ জুলাই সে মারা যায়। সে সময় রিয়ার পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে জানানোর পরও তারা আর মামলা করেনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির আহমেদ। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের বিভিন্ন ছবি ও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে মামলা না করা প্রসঙ্গে রিয়ার মা বিউটি ঘোষ বলেন, ‘মামলা করে কী হবে? কাদের নামে মামলা করব? রিয়াকে কারা মেরেছে, আমরা জানি না। আমরা সৃষ্টিকর্তার ওপর বিচার ছেড়ে দিয়েছি।’
জানা গেছে, দীপক কুমার গোপ ও বিউটি ঘোষ দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল রিয়া। দীপক স্থানীয় একটি রড-সিমেন্টের দোকানে ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবারের পর ছাদে খেলছিল রিয়া। গোলাগুলির শব্দ শুনে রিয়াকে আনতে ছাদে যান দীপক। মেয়েকে কোলে নিতেই একটি গুলি রিয়ার মাথায় বিদ্ধ হয়। ঢাকা মেডিকেলে অস্ত্রোপচারের পর চার দিন সে বেঁচে ছিল। ২৪ জুলাই সকালে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা হয় ‘গান শট ইনজুরি’।
জানা গেছে, ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর সড়ক দখলে নেয় আন্দোলনকারীরা। এদিন রাস্তায় ছিল না কোনো পুলিশের উপস্থিতি। আন্দোলন দমাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামে শামীম ওসমান ও তাঁর অনুসারীরা। চাষাঢ়া থেকে গুলি ছুড়তে ছুড়তে নয়ামাটির দিকে অগ্রসর হন তাঁরা। ধারণা করা হয়, সেদিন তাঁদের গুলিতেই রিয়ার মৃত্যু হয়।

নারায়ণগঞ্জ শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বাড়ির ছাদে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশু রিয়া গোপ (৬) নিহতের ১১ বছর পর মামলা করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিছিলকারীদের ওপর গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় গুলশান হলের পেছনে দীপক কুমারের পাঁচতলা বাড়ির ছাদে রিয়া গোপ খেলাধুলা করার সময়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাকে প্রথমে ভিক্টোরিয়া ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ২৪ জুলাই সে মারা যায়। সে সময় রিয়ার পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে জানানোর পরও তারা আর মামলা করেনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির আহমেদ। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের বিভিন্ন ছবি ও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে মামলা না করা প্রসঙ্গে রিয়ার মা বিউটি ঘোষ বলেন, ‘মামলা করে কী হবে? কাদের নামে মামলা করব? রিয়াকে কারা মেরেছে, আমরা জানি না। আমরা সৃষ্টিকর্তার ওপর বিচার ছেড়ে দিয়েছি।’
জানা গেছে, দীপক কুমার গোপ ও বিউটি ঘোষ দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল রিয়া। দীপক স্থানীয় একটি রড-সিমেন্টের দোকানে ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবারের পর ছাদে খেলছিল রিয়া। গোলাগুলির শব্দ শুনে রিয়াকে আনতে ছাদে যান দীপক। মেয়েকে কোলে নিতেই একটি গুলি রিয়ার মাথায় বিদ্ধ হয়। ঢাকা মেডিকেলে অস্ত্রোপচারের পর চার দিন সে বেঁচে ছিল। ২৪ জুলাই সকালে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা হয় ‘গান শট ইনজুরি’।
জানা গেছে, ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর সড়ক দখলে নেয় আন্দোলনকারীরা। এদিন রাস্তায় ছিল না কোনো পুলিশের উপস্থিতি। আন্দোলন দমাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামে শামীম ওসমান ও তাঁর অনুসারীরা। চাষাঢ়া থেকে গুলি ছুড়তে ছুড়তে নয়ামাটির দিকে অগ্রসর হন তাঁরা। ধারণা করা হয়, সেদিন তাঁদের গুলিতেই রিয়ার মৃত্যু হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে