
ঢাকায় বিপজ্জনক পর্যায়ে অবস্থানে রয়েছে বায়ুদূষণের মাত্রা। একুওয়েদারের তথ্যমতে গত ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা ২৩৩ থেকে ৬৩৭ একিউআই পর্যন্ত ছিল।
আজ শনিবার এই মাত্রা ছিল ২৮৫ একিউআই। আর দূষণের এই মাত্রা নিয়ে আবারও শীর্ষে রয়েছে ঢাকা।
সকালে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের একটি সভাকক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী।
সংস্থাটি জানায়,০-৫০ একিউআই হলো ভালো মানের বায়ু। ৫১-১০০ একিউআই হলে মধ্যম মানের বায়ু। একিউআই ১০১-১৫০ হলে সেটি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য অস্বাস্থ্যকর। একিউআই ১৫১-২০০ হলে সেটি সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর। এই মান ২০১-৩০০ তে উন্নীত হলে সেটি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। আর এই মান যদি ৩০১ অতিক্রম করে তাহলে সেটি বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। সেখানে ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা (একিউআই) ছিল যথাক্রমে—৪৫১,৪৭৪, ৬৩৭,৫৫৯, ৩৬৩,৪৭৯, ৩১৬,২৩৩, ২৩৮,৩০৭ এবং ৩১৪। সেই হিসাবে ঢাকার বায়ু ধারাবাহিকভাবে বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে।
সেমিনারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলেন, দূষিত বায়ুতে অবস্থান করলে তাৎক্ষণিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে হতে পারে নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি মরণব্যাধি। এর মধ্যে নাকের অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ থেকে নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা, ফুসফুস ক্যানসার, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্রোগ, কিডনি ও লিভার রোগ, বন্ধাত্ব্য, শিশুর বিকাশজনিত সমস্যা, স্বল্প ওজনের বাচ্চা প্রসব, অকাল প্রসবসহ আরও নানা জটিলতা হতে পারে।
ফিটনেসবিহীন মোটরযান, নিম্নমানের জ্বালানি তেল ব্যবহার, সনাতনী পদ্ধতিতে ইটভাটা পরিচালন, স্থাপনা নির্মাণে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা ইত্যাদি বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। তবে এই দায় কোনো এক পক্ষের নয়। একদিকে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব। সব মিলিয়ে এই অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।
এই মাত্রায় বায়ুদূষণ রোধে বক্তারা উচ্চ আদালতের ৯ দফা নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সেগুলো হলো—ঢাকা শহরের মধ্য বালি বা মাটি বাহী ট্রাক ঢেকে পরিবহন করা; নির্মাণাধীন প্রকল্পসমূহ ভালোভাবে ঢেকে কাজ পরিচালনা করা; ঢাকার সড়কগুলোতে পনি ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়া; সড়কে মেগা প্রজেক্টের নির্মাণকাজ এবং কার্পেটিংয়ের ক্ষেত্রে আইন কানুন এবং চুক্তির টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন নিশ্চিত করা; যেসব গাড়ি কালো ধোয়া ছাড়ে সেগুলো জব্দ করা; সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী রাস্তায় চলা চালকারী গাড়ির ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ এবং যেসব গাড়ি পুরোনো হয়ে গেছে সেগুলো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ; যেসব ইটভাটা লাইসেন্সবিহিনভাবে চলছে, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা; পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া টায়ার পোড়ানো এবং ব্যাটারি রিসাইকিলিং বন্ধ করা; মার্কেট এবং দোকানের বর্জ্য প্যাকেট করে রাখা এবং মার্কেট ও দোকান বন্ধের পরে সিটি করপোরেশনের মধ্যে ওই বর্জ্য অপসারণ করা।
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি প্রমুখ।

ঢাকায় বিপজ্জনক পর্যায়ে অবস্থানে রয়েছে বায়ুদূষণের মাত্রা। একুওয়েদারের তথ্যমতে গত ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা ২৩৩ থেকে ৬৩৭ একিউআই পর্যন্ত ছিল।
আজ শনিবার এই মাত্রা ছিল ২৮৫ একিউআই। আর দূষণের এই মাত্রা নিয়ে আবারও শীর্ষে রয়েছে ঢাকা।
সকালে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের একটি সভাকক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী।
সংস্থাটি জানায়,০-৫০ একিউআই হলো ভালো মানের বায়ু। ৫১-১০০ একিউআই হলে মধ্যম মানের বায়ু। একিউআই ১০১-১৫০ হলে সেটি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য অস্বাস্থ্যকর। একিউআই ১৫১-২০০ হলে সেটি সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর। এই মান ২০১-৩০০ তে উন্নীত হলে সেটি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। আর এই মান যদি ৩০১ অতিক্রম করে তাহলে সেটি বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। সেখানে ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা (একিউআই) ছিল যথাক্রমে—৪৫১,৪৭৪, ৬৩৭,৫৫৯, ৩৬৩,৪৭৯, ৩১৬,২৩৩, ২৩৮,৩০৭ এবং ৩১৪। সেই হিসাবে ঢাকার বায়ু ধারাবাহিকভাবে বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে।
সেমিনারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলেন, দূষিত বায়ুতে অবস্থান করলে তাৎক্ষণিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে হতে পারে নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি মরণব্যাধি। এর মধ্যে নাকের অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ থেকে নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা, ফুসফুস ক্যানসার, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্রোগ, কিডনি ও লিভার রোগ, বন্ধাত্ব্য, শিশুর বিকাশজনিত সমস্যা, স্বল্প ওজনের বাচ্চা প্রসব, অকাল প্রসবসহ আরও নানা জটিলতা হতে পারে।
ফিটনেসবিহীন মোটরযান, নিম্নমানের জ্বালানি তেল ব্যবহার, সনাতনী পদ্ধতিতে ইটভাটা পরিচালন, স্থাপনা নির্মাণে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা ইত্যাদি বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। তবে এই দায় কোনো এক পক্ষের নয়। একদিকে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব। সব মিলিয়ে এই অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।
এই মাত্রায় বায়ুদূষণ রোধে বক্তারা উচ্চ আদালতের ৯ দফা নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সেগুলো হলো—ঢাকা শহরের মধ্য বালি বা মাটি বাহী ট্রাক ঢেকে পরিবহন করা; নির্মাণাধীন প্রকল্পসমূহ ভালোভাবে ঢেকে কাজ পরিচালনা করা; ঢাকার সড়কগুলোতে পনি ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়া; সড়কে মেগা প্রজেক্টের নির্মাণকাজ এবং কার্পেটিংয়ের ক্ষেত্রে আইন কানুন এবং চুক্তির টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন নিশ্চিত করা; যেসব গাড়ি কালো ধোয়া ছাড়ে সেগুলো জব্দ করা; সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী রাস্তায় চলা চালকারী গাড়ির ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ এবং যেসব গাড়ি পুরোনো হয়ে গেছে সেগুলো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ; যেসব ইটভাটা লাইসেন্সবিহিনভাবে চলছে, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা; পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া টায়ার পোড়ানো এবং ব্যাটারি রিসাইকিলিং বন্ধ করা; মার্কেট এবং দোকানের বর্জ্য প্যাকেট করে রাখা এবং মার্কেট ও দোকান বন্ধের পরে সিটি করপোরেশনের মধ্যে ওই বর্জ্য অপসারণ করা।
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি প্রমুখ।

ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
৪০ মিনিট আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া খাদ্যগুদামে (এলএসডি) রেকর্ড ছাড়া অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪৫০ কেজি চালের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্বে দেন ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আজমীর শরীফ।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে নিজ বাসা থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন মেয়ের জামাই। পরে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে