
রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপি বলছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গণমাধ্যম বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।
ডিসি ফারুক হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, মেস, বাসা–বাড়িতে যে অভিযান চালানো হয়েছে তাতে ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অভিযান আমাদের রুটিন ওয়ার্ক। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। পাশাপাশি কেউ যেন অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি পুলিশকে সতর্কভাবে দেখভাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে তল্লাশি চৌকি বসানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনের সামনে বাড়তি যে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, তা আমাদের নিয়মিত ডিউটির অংশ। সেখানে অতিরিক্ত কোনো কিছুই নয়, মূলত সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় আমরা সেখানে ফোর্স মোতায়েন করেছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিসি ফারুক হোসেন বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, কেবল যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, তাদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
রাজধানীবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের যা যা করণীয়, সবই করবে বলেও উল্লেখ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
পুলিশ বলছে, বিশেষ অভিযানে আটক হওয়া অনেকে পরোয়ানাভুক্ত আসামি। এ ছাড়া মাদক, দণ্ডপ্রাপ্ত, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চোর, ছিনতাইকারীসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ও একাধিক মামলা রয়েছে। তাই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় রিমান্ড আবেদন করে আসামিদের আদালতে হাজির করা হবে।
গত ২৯ নভেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন শাখার পাঠানো এক আদেশ অনুসারে, দেশের সব পুলিশ ইউনিটের প্রধান ও সব জেলার পুলিশ সুপারদের ১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালাতে বলা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, অন্যান্য স্থানের পাশাপাশি আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পরিচালিত অভিযানে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।

মোবাইল ফোন না দেওয়ায় মা-বাবার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ নিয়ে থানায় হাজির হয় ১৪ বছর বয়সী ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। পরে পুলিশের এক উপপরিদর্শকের (এসআই) পরামর্শ ও কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টির তাৎক্ষণিক সমাধান হয়।
৮ মিনিট আগে
আয়োজন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। টেলিভিশনে থিয়েটার দেখলেও এবার নিজেদের বিদ্যালয়ে নাটক ও অভিনয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত তারা। শিক্ষার্থী জেসিকা বলে, ‘টেলিভিশনে নাটক দেখেছি। কিন্তু এবার নিজেরাই নাটকে অভিনয় করছি। বিষয়টি আমার খুব ভালো লাগছে। অভিনয়ের পাশাপাশি অনেক
১১ মিনিট আগে
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ডিএমপির রমনা বিভাগ ৩৫ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৪ জন, ওয়ারী বিভাগ ৬৩ জন, মতিঝিল বিভাগ ৭৪ জন, তেজগাঁও বিভাগ ১০২ জন, মিরপুর বিভাগ ৮০ জন, গুলশান বিভাগ ৩৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৪১ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ৯ জন ও সিটিটিসি কর্তৃক ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
১৫ মিনিট আগে
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করছে পুলিশ। সিআইডি ছায়া তদন্ত করলেও এখন পর্যন্ত তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
৩৫ মিনিট আগে