সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ায় আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করে তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক দম্পতিসহ তাঁদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। গতকাল রোববার রাতে দম্পতিকে এবং আজ দুপুরে তাঁদের সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার সোহরাব শেখের ছেলে সুমন শেখ (৪৫), তাঁর স্ত্রী মোছা. রত্না বেগম (৩৮) ও তাঁদের সহযোগী রাইতুল ইসলাম মুন্সী (২২)।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হলেন নান্নু মিয়া (২৫)। তাঁর বাড়ি দিনাজপুরে। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন পানিশাইল এলাকায় ভাড়া থেকে আশুলিয়ার একটি ক্যাপ কারখানায় চাকরি করেন। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর ভাই রাজু আহমেদ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বর্তমান কারখানায় চাকরি পাওয়ার আগে বেশ কিছুদিন কর্মহীন ছিলেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়া। এ সময় সুমন শেখের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে শত্রুতা তৈরি হয়। এরই জেরে গতকাল রোববার নান্নু মিয়াকে কৌশলে নিজের বাসায় ডেকে নেন সুমন শেখ। দুই দফা মারধর করার পর সুমন শেখ তাঁর স্ত্রীকে নান্নুর পুরুষাঙ্গ কাটতে বলেন। পরে গ্রেপ্তার হওয়া রাইতুল নান্নুর পা চেপে ধরে রাখেন এবং রত্না বেগম নান্নুর পুরুষাঙ্গ কেটে দেন।
একপর্যায়ে অবস্থা বেগতিক দেখে নান্নু মিয়াকে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন সুমন শেখ। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর খান আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রথমে স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রী প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন, তিনি স্বামীর নির্দেশে নান্নুর পুরুষাঙ্গ কেটেছেন।
ওসি আরও বলেন, আজ সকালে অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত রাইতুল মুন্সীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনিও স্বীকার করেছেন, পুরুষাঙ্গ কাটার সময় তিনি পা ধরে রেখেছিলেন। তাঁদের তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাভারের আশুলিয়ায় আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করে তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক দম্পতিসহ তাঁদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। গতকাল রোববার রাতে দম্পতিকে এবং আজ দুপুরে তাঁদের সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার সোহরাব শেখের ছেলে সুমন শেখ (৪৫), তাঁর স্ত্রী মোছা. রত্না বেগম (৩৮) ও তাঁদের সহযোগী রাইতুল ইসলাম মুন্সী (২২)।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হলেন নান্নু মিয়া (২৫)। তাঁর বাড়ি দিনাজপুরে। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন পানিশাইল এলাকায় ভাড়া থেকে আশুলিয়ার একটি ক্যাপ কারখানায় চাকরি করেন। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর ভাই রাজু আহমেদ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বর্তমান কারখানায় চাকরি পাওয়ার আগে বেশ কিছুদিন কর্মহীন ছিলেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়া। এ সময় সুমন শেখের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে শত্রুতা তৈরি হয়। এরই জেরে গতকাল রোববার নান্নু মিয়াকে কৌশলে নিজের বাসায় ডেকে নেন সুমন শেখ। দুই দফা মারধর করার পর সুমন শেখ তাঁর স্ত্রীকে নান্নুর পুরুষাঙ্গ কাটতে বলেন। পরে গ্রেপ্তার হওয়া রাইতুল নান্নুর পা চেপে ধরে রাখেন এবং রত্না বেগম নান্নুর পুরুষাঙ্গ কেটে দেন।
একপর্যায়ে অবস্থা বেগতিক দেখে নান্নু মিয়াকে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন সুমন শেখ। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর খান আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রথমে স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রী প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন, তিনি স্বামীর নির্দেশে নান্নুর পুরুষাঙ্গ কেটেছেন।
ওসি আরও বলেন, আজ সকালে অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত রাইতুল মুন্সীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনিও স্বীকার করেছেন, পুরুষাঙ্গ কাটার সময় তিনি পা ধরে রেখেছিলেন। তাঁদের তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পাঙাশ মাছ খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল দেড় বছরের শিশু সিয়ামের। মাছের কাঁটা গলায় আটকে সোমবার রাতে মারা গেছে শিশু সিয়াম। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের যশোবন্তপুর গ্রামে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আমিনুর ব্যাপারীর ছেলে।
৭ মিনিট আগে
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭-এর বিচারক মিনাজ উদ্দীন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘অপহরণ ও গুমের’ শিকার এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নে পদ্মা নদীর মিডিল চর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্থানটি রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে।
১৫ মিনিট আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতের পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আজ মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।
৩৪ মিনিট আগে