শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশু গুলিবিদ্ধ সহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের নোয়াদ্দা ও চর বেশনাল এলাকায় কয়েক দফা হামলা-পাল্টা হামলায় জড়ায় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারী ও সাবেক চেয়ারম্যান মোহসিনা হক কল্পনা গ্রুপ।
রিপন পাটোয়ারী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মোহসিনা হক কল্পনা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।
আহতদের মধ্যে রয়েছে রিপন পাটোয়ারি পক্ষের নুসরাত (২৫), নুরুল মোল্লা (৫০), মামুন গাজী (৩৮), ইমরান গাজী (৩৫) ও কল্পনা পক্ষের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ (২২), রানা ব্যাপারী (১৮), মো. শরিফ খান (২৫) সারোয়ার হোসেন (২৫), রিফাত হোসেন (৯) হনুফা বেগম (৬০)।
আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধদের মধ্যে চরবেশনাল এলাকার হনুফা বেগম (৬০) ও শিশু রিফাতকে (১০) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে না বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রিপন ও মহসিনা পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে রিপন পাটোয়ারী বিজয়ী হলে মহসিনা হকের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করে দেওয়া হয়। পরে মহসিনার লোকজন এলাকায় ফিরে এলে বেশ কয়েক দিন ধরে আবারও দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত আবারও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দফায় দফায় গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন পাটোয়ারী বলেন, ‘নির্বাচনে হেরে মহসিনা হক কল্পনার লোকজন আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার পক্ষের কয়েকজনকে মারধর করে তারা। পরে আজ সকালে আবারও কল্পনার পক্ষের- বাবু কাজী, শওকত, জিয়া সর্দার, শওকত দেওয়ান, জাহাঙ্গীর সরকারের নেতৃত্বে আমার ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বারের বাসায়, সাবেক মেম্বার হুমায়ূন কবির মোল্লার বাসায় লুটপাট চালায় ও ইয়াজউদ্দিন মেম্বার বাড়িঘর ভাঙচুর করে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। আমার পক্ষের লোকজন প্রতিহত করলে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আমার ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।’
মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মহসিনা হক কল্পনা বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনের পর আমার লোকজনকে গ্রাম ছাড়া করে দেওয়া হয়। কিছুদিন ধরে তাঁরা এলাকায় ফিরতে শুরু করে। সকালে রিপন পক্ষের লোকজন হামলার জন্য ওঁৎ পেতে ছিল। রিপন বাহিনীর কংশপুরা এলাকায় আইন উদ্দিন, মোসলেম, চরডুমুরিয়া এলাকার আরিফ, কামলা রুবেল, আমঘাটা এলাকার মাইনুদ্দিন, শাহআলম, আবু তাহেরের নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমার লোকজনের ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়, মালামাল লুট করে নেয়। এলাকায় রিপনের ৬ আনি সাপোর্টারও নেই। সব জায়গায় আমার লোক। আমার লোকজনকে বের করে দেওয়ার জন্য হামলা চালাইছে। আমার পক্ষের গুলিবিদ্ধসহ ৭-৮ জন লোক আহত হয়েছে।’
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফেরদৌস বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক নারী ও একজন শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে। হনুফা বেগমের ডান পায়ে ও রিফাতের বাম পায়ে গুলি লেগেছে।’
এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশু গুলিবিদ্ধ সহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের নোয়াদ্দা ও চর বেশনাল এলাকায় কয়েক দফা হামলা-পাল্টা হামলায় জড়ায় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারী ও সাবেক চেয়ারম্যান মোহসিনা হক কল্পনা গ্রুপ।
রিপন পাটোয়ারী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মোহসিনা হক কল্পনা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।
আহতদের মধ্যে রয়েছে রিপন পাটোয়ারি পক্ষের নুসরাত (২৫), নুরুল মোল্লা (৫০), মামুন গাজী (৩৮), ইমরান গাজী (৩৫) ও কল্পনা পক্ষের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ (২২), রানা ব্যাপারী (১৮), মো. শরিফ খান (২৫) সারোয়ার হোসেন (২৫), রিফাত হোসেন (৯) হনুফা বেগম (৬০)।
আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধদের মধ্যে চরবেশনাল এলাকার হনুফা বেগম (৬০) ও শিশু রিফাতকে (১০) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে না বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রিপন ও মহসিনা পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে রিপন পাটোয়ারী বিজয়ী হলে মহসিনা হকের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করে দেওয়া হয়। পরে মহসিনার লোকজন এলাকায় ফিরে এলে বেশ কয়েক দিন ধরে আবারও দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত আবারও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দফায় দফায় গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন পাটোয়ারী বলেন, ‘নির্বাচনে হেরে মহসিনা হক কল্পনার লোকজন আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার পক্ষের কয়েকজনকে মারধর করে তারা। পরে আজ সকালে আবারও কল্পনার পক্ষের- বাবু কাজী, শওকত, জিয়া সর্দার, শওকত দেওয়ান, জাহাঙ্গীর সরকারের নেতৃত্বে আমার ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বারের বাসায়, সাবেক মেম্বার হুমায়ূন কবির মোল্লার বাসায় লুটপাট চালায় ও ইয়াজউদ্দিন মেম্বার বাড়িঘর ভাঙচুর করে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। আমার পক্ষের লোকজন প্রতিহত করলে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আমার ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।’
মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মহসিনা হক কল্পনা বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনের পর আমার লোকজনকে গ্রাম ছাড়া করে দেওয়া হয়। কিছুদিন ধরে তাঁরা এলাকায় ফিরতে শুরু করে। সকালে রিপন পক্ষের লোকজন হামলার জন্য ওঁৎ পেতে ছিল। রিপন বাহিনীর কংশপুরা এলাকায় আইন উদ্দিন, মোসলেম, চরডুমুরিয়া এলাকার আরিফ, কামলা রুবেল, আমঘাটা এলাকার মাইনুদ্দিন, শাহআলম, আবু তাহেরের নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমার লোকজনের ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়, মালামাল লুট করে নেয়। এলাকায় রিপনের ৬ আনি সাপোর্টারও নেই। সব জায়গায় আমার লোক। আমার লোকজনকে বের করে দেওয়ার জন্য হামলা চালাইছে। আমার পক্ষের গুলিবিদ্ধসহ ৭-৮ জন লোক আহত হয়েছে।’
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফেরদৌস বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক নারী ও একজন শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে। হনুফা বেগমের ডান পায়ে ও রিফাতের বাম পায়ে গুলি লেগেছে।’
এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
১ ঘণ্টা আগে