
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের চিকিৎসার জন্য দেশত্যাগের ঘটনায় এবার কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত আইজিকে (প্রশাসন)।
আজ বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে এই ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অতিরিক্ত এসপিকে (ইমিগ্রেশন) প্রত্যাহার, কিশোরগঞ্জ সদর থানায় আবদুল হামিদের নামে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আরও একজন এসবি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সূত্র বলছে, সাবেক রাষ্ট্রপতির বিদেশগমন নিয়ে কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখানোর পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল। এ ছাড়া আজ দিনব্যাপী বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে প্রতিক্রিয়া দেখান। বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিষয়টি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
প্রসঙ্গত, আবদুল হামিদ গতকাল বুধবার রাতে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের ব্যাংকক যান। গত দুই সপ্তাহ ধরে অসুস্থ হয়ে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসার জন্য তিনি থাইল্যান্ড গেছেন। মো. আবদুল হামিদ ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে বহুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল ৫টায় নিউমার্কেটের ১নং গেটের সামনে গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। জুলাই আন্দোলনের মিছিল সমাবেশে গুলিতে ওই সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হন।
৩ মিনিট আগে
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়ার সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা পদ্মরাগ ট্রেনটি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের দেওয়ানতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে এক নারী চলন্ত ট্রেনে নিচে লাফ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
৩২ মিনিট আগে
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি অনলাইন প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী বাদীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
১ ঘণ্টা আগে
সকালে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দুপক্ষের ১০ জন আহত হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট চলে ১২টি বসতঘরে।
১ ঘণ্টা আগে