জাবি প্রতিনিধি

সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসের মুক্তির দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে মানববন্ধন করেন ছাত্র অধিকার পরিষদ জাবি শাখার নেতা-কর্মীরা। একই দাবিতে বেলা সাড়ে ৪টায় পরিবহন চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের একাংশ। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
মানববন্ধনে ছাত্র অধিকার পরিষদ জাবি শাখার সভাপতি জহির ফয়সাল বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে একটি রিপোর্ট করার অপরাধে শামসুজ্জামানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই, দেশে আইয়ুব খানের শাসন চলছে নাকি? ইয়াহিয়া খানের শাসন চলছে নাকি? যদি তাই না হয়, তবে কেন একজন সাংবাদিককে স্বাধীনতা দিবসে রিপোর্ট করার জন্য তুলে নিয়ে যাওয়া হয়? অনতিবিলম্বে শামসুজ্জামানের মুক্তি চাই।’
প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সহসাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে। সরকার তার প্রয়োজনের সময় অসৎ উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করছে। সাদাপোশাকে এসে সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক সংগঠন জেইউডিওর সাধারণ সম্পাদক তাপসী দে প্রাপ্তি বলেন, ‘রাষ্ট্র ক্রমশই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে সবাইকে ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে রাখা হয়েছে। ছাত্র থেকে শুরু করে দিনমজুর-ব্যবসায়ী—কারও পেটে ভাত নেই, কারও সংসার চলছে না। অথচ কেউ এটা নিয়ে কথা বলতে পারছে না। সরকারের বিরুদ্ধে যখনই কেউ সত্য কথা বলে, তখনই তার টুঁটি চেপে ধরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা চাই জামিনে নয়, শামসুজ্জামানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।’
এর আগে আজ সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসের মুক্তির দাবিতে আলটিমেটাম দিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।
উল্লেখ্য, ভোর ৪টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আমবাগান এলাকার ভাড়া বাসা থেকে সাদাপোশাকধারী কয়েকজন সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসের মুক্তির দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে মানববন্ধন করেন ছাত্র অধিকার পরিষদ জাবি শাখার নেতা-কর্মীরা। একই দাবিতে বেলা সাড়ে ৪টায় পরিবহন চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের একাংশ। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
মানববন্ধনে ছাত্র অধিকার পরিষদ জাবি শাখার সভাপতি জহির ফয়সাল বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে একটি রিপোর্ট করার অপরাধে শামসুজ্জামানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই, দেশে আইয়ুব খানের শাসন চলছে নাকি? ইয়াহিয়া খানের শাসন চলছে নাকি? যদি তাই না হয়, তবে কেন একজন সাংবাদিককে স্বাধীনতা দিবসে রিপোর্ট করার জন্য তুলে নিয়ে যাওয়া হয়? অনতিবিলম্বে শামসুজ্জামানের মুক্তি চাই।’
প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সহসাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে। সরকার তার প্রয়োজনের সময় অসৎ উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করছে। সাদাপোশাকে এসে সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক সংগঠন জেইউডিওর সাধারণ সম্পাদক তাপসী দে প্রাপ্তি বলেন, ‘রাষ্ট্র ক্রমশই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে সবাইকে ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে রাখা হয়েছে। ছাত্র থেকে শুরু করে দিনমজুর-ব্যবসায়ী—কারও পেটে ভাত নেই, কারও সংসার চলছে না। অথচ কেউ এটা নিয়ে কথা বলতে পারছে না। সরকারের বিরুদ্ধে যখনই কেউ সত্য কথা বলে, তখনই তার টুঁটি চেপে ধরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা চাই জামিনে নয়, শামসুজ্জামানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।’
এর আগে আজ সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসের মুক্তির দাবিতে আলটিমেটাম দিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।
উল্লেখ্য, ভোর ৪টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আমবাগান এলাকার ভাড়া বাসা থেকে সাদাপোশাকধারী কয়েকজন সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১৫ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩০ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে