
ঢাকার লিট ফেস্টের দশম আসরে ‘সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির বাংলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘সংস্কৃতির শক্তি ও রাজনৈতিক শক্তি দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। পাশাপাশি শ্রেণিবৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
আজ শনিবার ঢাকার লিট ফেস্টের তৃতীয় দিনে আহকাম উল্লাহর সঞ্চালনায় এ কথা বলেন গোলাম কুদ্দুস। এ সময় বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আলোচনা করেন কবি কামাল চৌধুরী।
গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘সংস্কৃতির শক্তি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য আন্দোলন করেছিলাম। সেখানে আমরা সফল হয়েছি, কিন্তু বর্তমানে অনেকটা নিরুপায়ের মতো। একক ও সংগঠনের মাধ্যমে সংস্কৃতিকে সবার মাঝে ছড়িয় দেওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।’
গোলাম কুদ্দুস আরও বলেন, ‘সংস্কৃতি না থাকলে লড়াইয়ের পথ দুর্বল হয়ে যায়। অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হবে, লড়াইয়ের বিকল্প নেই। সংস্কৃতির জন্য লড়াই করতে না পারলে সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির বাংলা গঠন করা সম্ভব নয়।’
কবি কামাল চৌধুরী বলেন, ‘বৈষম্য সারা পৃথিবীতে আছে। বাংলাদেশেও বৈষম্য আছে। নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা হয়েছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে ঘরে বেঁধে রাখা হয়েছে। সংস্কৃতির কাজ হচ্ছে মানুষের মুক্তির পথ সুগম করা।’
কামাল চৌধুরী আরও বলেন, ‘পুরুষতান্ত্রিকতা আমাদের জেঁকে বসেছে। একসময় গ্রামগঞ্জ থেকে অনেক সৃজনশীল মানুষ বের হতো, কিন্তু এখন সংখ্যাটা নিতান্তই কম। কারণ মানুষের মাঝে বিভেদের প্রাচীর তুলে দেওয়া হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক মানুষ গড়ে উঠছে না।’ অসাম্প্রদায়িক মানুষ তৈরি করতে না পারার পেছনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজেরও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন কবি কামাল চৌধুরী।
আমাদের ইতিহাসকে সাম্প্রদায়িক ইতিহাস বানানোর পাঁয়তারা চলছে। সাম্প্রদায়িক ইতিহাস বানানোর চেষ্টা সফল হলে সংস্কৃতির আন্দোলন মাঠে মারা যাবে। তাই আমাদের মৌলিক ইতিহাসের চেতনায় নিজেদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে বলে মনে করেন কামাল চৌধুরী।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে