জবি সংবাদদাতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘জবি সংস্কার আন্দোলন’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তাঁরা।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলায় সব বিভাগের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠকে এ প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৈঠকে শিক্ষার্থীরা কিছু উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। উদ্যোগগুলো হলো—
জবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন এমন সম্ভাব্য ব্যক্তিদের জীবনবৃত্তান্ত আজই সংগ্রহ করা হবে, প্রতিনিধিরা সে ব্যাপারে মতামত দেবেন; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (এডিসি) সঙ্গে কথা হয়েছে আগামীকাল রোববার ধূপখোলা মাঠ জবির ছাত্রদের কাছে হস্তান্তর করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। নিশ্চিত হতে পারলে প্রশাসনের সহযোগিতায় আনন্দ মিছিল ধূপখোলা যাবে।
যেই শিক্ষকেরা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে ছিলেন বিভাগ ভিত্তিক তাঁদের তালিকা করা হবে। যারা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন তাঁদের তালিকা তৈরি করা হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোচনায় প্রতিনিধিদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামীকাল দুপুর ১২টায় কাঁঠাল তলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্ট ও প্রক্টর নিয়োগের দাবিতে ছাত্র–সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ডাকা হয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা বলেন, ছাত্র–শিক্ষক বন্ধন তৈরি করার জন্য প্রতিনিধিরা কাজ করবেন। ষড়যন্ত্রকারীরা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চায় না, তাই তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। সে ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। সবার ঐক্য আর সম্মিলিত উদ্যোগে নতুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তাঁরা।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নূর নবী বলেন, ৩৮ টি বিভাগের প্রতিনিধি নিয়ে জবি সংস্কার আন্দোলন নামের প্ল্যাটফর্মটি গঠন করা হবে। ৩৮ বিভাগের প্রতিনিধির মাধ্যমে সেখান থেকে ১০ জনের একটি কমিটি গঠন করা হবে। যারা নির্দেশনা দেবেন। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে যেকোনো সময় এই কমিটি পরিবর্তন করতে পারবেন। আজকে বৈঠকে ২৪ টি বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন, কিছু বিভাগের ভোটগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি তাই তাঁরা উপস্থিত হতে পারেননি।
নূর নবী আরও বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় কাঁঠাল তলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্ট ও প্রক্টর নিয়োগের দাবিতে ছাত্র-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলও ডাকা হয়েছে।
বৈঠকে দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসলিমা আক্তার বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবর্ণনীয় সমস্যার মধ্যে শিক্ষাজীবন শেষ করে। এখানে ভিসি আসে ভিসি যায়, কিন্তু আমাদের সমস্যা সমস্যাই রয়ে যায়। তাই আমরা চাই আমাদের অভিভাবক যিনি হবেন তিনি যেন আমাদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে আগে থেকে অবগত থাকেন এবং দায়িত্ব পাওয়ার পরই সমাধানে উদ্যোগ নেন।
নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি না আসবে, এ বিশ্ববিদ্যালয় ততদিন অবহেলিত থেকেই যাবে। এটাকে শুধু কলোনি হিসেবে ব্যবহার করেই যাবে যা আগেও আমরা দেখছি। সুতরাং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতির জন্য এর ভেতর থেকেই প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া উচিত।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘জবি সংস্কার আন্দোলন’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তাঁরা।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলায় সব বিভাগের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠকে এ প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৈঠকে শিক্ষার্থীরা কিছু উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। উদ্যোগগুলো হলো—
জবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন এমন সম্ভাব্য ব্যক্তিদের জীবনবৃত্তান্ত আজই সংগ্রহ করা হবে, প্রতিনিধিরা সে ব্যাপারে মতামত দেবেন; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (এডিসি) সঙ্গে কথা হয়েছে আগামীকাল রোববার ধূপখোলা মাঠ জবির ছাত্রদের কাছে হস্তান্তর করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। নিশ্চিত হতে পারলে প্রশাসনের সহযোগিতায় আনন্দ মিছিল ধূপখোলা যাবে।
যেই শিক্ষকেরা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে ছিলেন বিভাগ ভিত্তিক তাঁদের তালিকা করা হবে। যারা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন তাঁদের তালিকা তৈরি করা হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোচনায় প্রতিনিধিদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামীকাল দুপুর ১২টায় কাঁঠাল তলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্ট ও প্রক্টর নিয়োগের দাবিতে ছাত্র–সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ডাকা হয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা বলেন, ছাত্র–শিক্ষক বন্ধন তৈরি করার জন্য প্রতিনিধিরা কাজ করবেন। ষড়যন্ত্রকারীরা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চায় না, তাই তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। সে ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। সবার ঐক্য আর সম্মিলিত উদ্যোগে নতুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তাঁরা।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নূর নবী বলেন, ৩৮ টি বিভাগের প্রতিনিধি নিয়ে জবি সংস্কার আন্দোলন নামের প্ল্যাটফর্মটি গঠন করা হবে। ৩৮ বিভাগের প্রতিনিধির মাধ্যমে সেখান থেকে ১০ জনের একটি কমিটি গঠন করা হবে। যারা নির্দেশনা দেবেন। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে যেকোনো সময় এই কমিটি পরিবর্তন করতে পারবেন। আজকে বৈঠকে ২৪ টি বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন, কিছু বিভাগের ভোটগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি তাই তাঁরা উপস্থিত হতে পারেননি।
নূর নবী আরও বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় কাঁঠাল তলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্ট ও প্রক্টর নিয়োগের দাবিতে ছাত্র-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলও ডাকা হয়েছে।
বৈঠকে দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসলিমা আক্তার বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবর্ণনীয় সমস্যার মধ্যে শিক্ষাজীবন শেষ করে। এখানে ভিসি আসে ভিসি যায়, কিন্তু আমাদের সমস্যা সমস্যাই রয়ে যায়। তাই আমরা চাই আমাদের অভিভাবক যিনি হবেন তিনি যেন আমাদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে আগে থেকে অবগত থাকেন এবং দায়িত্ব পাওয়ার পরই সমাধানে উদ্যোগ নেন।
নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি না আসবে, এ বিশ্ববিদ্যালয় ততদিন অবহেলিত থেকেই যাবে। এটাকে শুধু কলোনি হিসেবে ব্যবহার করেই যাবে যা আগেও আমরা দেখছি। সুতরাং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতির জন্য এর ভেতর থেকেই প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া উচিত।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১২ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৭ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩০ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে