আয়নাল হোসেন, ঢাকা

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টিসিবি ট্রাকে ক্রেতাদের সারির দৈর্ঘ্য। লক্ষ্য ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা। যেকোনো স্থানে ‘ন্যায্যমূল্য’ শব্দের উল্লেখ ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে ভীষণ। এ অবস্থায় ‘ন্যায্যমূল্য’ শব্দের ব্যবহার করে উচ্চমূল্যে পণ্য বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে আজিমপুরের একটি দোকানে। সেখানে এমন বর্তমান বাজারের চেয়েও বেশি দাম রাখা হচ্ছে কোনো কোনো পণ্যের।
আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড নিজেদের পরিচালিত দোকানে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা হয় দাবি করলেও আদতে রাখছে বেশি। দোকানটিতে যে মূল্যতালিকা সাঁটানো আছে, সেখানেই এ বাড়তি দামের বিষয়টি নজরে এল। গত ৫ ফেব্রুয়ারি দোকানটির সাইনবোর্ডে সাঁটানো পণ্যের বিক্রয়মূল্যের তালিকায় দেখা গেল প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৫ টাকা, নাজিরশাইল ৭৫, বিআর-২৮ চাল ৫৫, বিআর-২৯ নাজির চাল ৬০, পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই দিন বাজারে মোটা চাল ৪৫ থেকে ৫০, মাঝারি মানের চাল ৫২-৫৮ ও নাজিরশাইল ৬২-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এমনকি সুপারশপগুলোতে পোলাওয়ের চাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতিটি পণ্যেই বাড়তি টাকা নিলেও সমিতির কর্মকর্তারা লিখিতভাবে দাবি করছেন দোকানটি ন্যায্যমূল্যের।
আজিমপুর কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য সরবরাহের জন্য ১৯৬০ সালে আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। আজিমপুর কলোনির মাস্টার প্ল্যান দোকানটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় সমিতির পক্ষ থেকে দেনদরবার করা হচ্ছে, যাতে মাস্টারপ্ল্যানে দোকানটি রাখা হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের জীবনমানের ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করে দোকানটি টিকিয়ে রাখার যুক্তি দেখানো হয়েছে। বলা হচ্ছে, আশপাশের এলাকার দোকানগুলো থেকে এ দোকানে কম দামে পণ্য বিক্রি হয়। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, কাগজপত্রে ‘ন্যায্যমূল্যের’ দোকানটি আদতে উচ্চমূল্যের দোকান।
নিজেদের পরিচালিত এই দোকান আজিমপুর কলোনিতে থাকা সরকারি কর্মীদের জন্য কতটা জরুরি, তা জানিয়ে সরকারি চিঠি চালাচালিও হয়েছে। সমিতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ১৯ জানুয়ারি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হয়। সেখানে লেখা হয়, প্রতিষ্ঠানটি আজিমপুর কলোনির মাস্টার প্ল্যানে রেখে আপাতত তা যেন আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসিক এলাকার (জোন-বি) কমন ফ্যাসিলিটিজ ভবনের নিচতলায় অথবা অন্য কোনো সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা হয়।
চিঠিতে দাবি করা হয়, সমবায় অধিদপ্তরের নিয়ম-নীতি অনুসারে সমিতির কার্যক্রম সাফল্য ও সম্মানের সঙ্গে চালু রয়েছে। বর্তমানে সমিতির ব্যাংক হিসাব ও দোকানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূলধন ও সমিতির প্রায় ২ হাজার শেয়ার হোল্ডার রয়েছে। প্রতিষ্ঠান ও দোকানটি বন্ধ হলে ওই কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে সমিতির শেয়ার হোল্ডাররাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
অথচ ‘ন্যায্যমূল্যের’ নামে এই দোকানে শুধু চাল নয়, প্রতিটি পণ্যই চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, এই দোকানে প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল ১২০ টাকা, বিদেশ মসুর ডাল ১০০, মুগ ডাল ১৪০, বুটের ডাল (আস্ত) ৯০, ছোলা ৮০, অ্যাংকার ডাল ৬০, আটা এক কেজির প্যাকেট ৪৫, ময়দা এক কেজির প্যাকেট ৬০, ফার্মের ডিমের হালি ৩৮, চিড়া ও মুড়ি ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ওই দিন টিসিবির বাজার পরিদর্শন টিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি কেজি প্যাকেট আটা ৪০-৪৫ টাকা, ময়দার প্যাকেট ৫২-৬০ টাকা, বিদেশি মসুর ডাল ৯৫-১০০ টাকা, মুগ ডাল ১২০-১৩৫ টাকা, অ্যাংকার ডাল ৪৮-৫০ টাকা, ছোলা ৭০-৮০ টাকা ও ফার্মের ডিম ৩৫-৩৮ টাকা হালি দরে বিক্রি হয়েছে। টিসিবি তাদের নিজস্ব ট্রাকে প্রতিকেজি বিদেশি ডাল বিক্রি করছে ৬৫ টাকা দরে। আর খাদ্য অধিদপ্তর প্রতি কেজি প্যাকেট আটা ২৩ টাকায় এবং চাল ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।
অর্থাৎ, প্রতিটি পণ্যে কমপক্ষে ৫ টাকা থেকে শুরু করে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখলেও আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি দাবি করছে তারা দোকানটি থেকে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজিমপুর স্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দোকানটি আসলে (ন্যায্য) মূল্যের না, তবে আশপাশের বিভিন্ন সুপার শপ এবং অন্যান্য মুদি দোকানের চেয়ে এখানে কম দামে পণ্য বিক্রি হয়।’ আশপাশের দোকানের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসলে আমি সমিতিতে আছি ঠিকই, কিন্তু দোকানটি পরিচালনা করছেন আনোয়ার হোসেন নামের আরেক কর্মকর্তা। সমিতির লাভ-লোকসান সব ব্যাংকে জমা হচ্ছে।’
সমিতির গভর্নিং বডির সদস্য আনোয়ার হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি তো রাখছি না। অন্য দোকানে যেমন, ঠিক তেমনি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যই রাখা হয়। রমজান মাসে মিল্ক ভিটা দুধের দাম অনেকে বাড়িয়ে দেয়। আমরা কিন্তু একই রাখি।’
সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কী করে ন্যায্যমূল্য হলো, সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা একটা স্থিতিশীল দাম রাখার চেষ্টা করি। এমআরপির চেয়ে বেশি আমরা কখনো রাখি না।’ এর বাইরে আর কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টিসিবি ট্রাকে ক্রেতাদের সারির দৈর্ঘ্য। লক্ষ্য ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা। যেকোনো স্থানে ‘ন্যায্যমূল্য’ শব্দের উল্লেখ ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে ভীষণ। এ অবস্থায় ‘ন্যায্যমূল্য’ শব্দের ব্যবহার করে উচ্চমূল্যে পণ্য বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে আজিমপুরের একটি দোকানে। সেখানে এমন বর্তমান বাজারের চেয়েও বেশি দাম রাখা হচ্ছে কোনো কোনো পণ্যের।
আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড নিজেদের পরিচালিত দোকানে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা হয় দাবি করলেও আদতে রাখছে বেশি। দোকানটিতে যে মূল্যতালিকা সাঁটানো আছে, সেখানেই এ বাড়তি দামের বিষয়টি নজরে এল। গত ৫ ফেব্রুয়ারি দোকানটির সাইনবোর্ডে সাঁটানো পণ্যের বিক্রয়মূল্যের তালিকায় দেখা গেল প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৫ টাকা, নাজিরশাইল ৭৫, বিআর-২৮ চাল ৫৫, বিআর-২৯ নাজির চাল ৬০, পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই দিন বাজারে মোটা চাল ৪৫ থেকে ৫০, মাঝারি মানের চাল ৫২-৫৮ ও নাজিরশাইল ৬২-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এমনকি সুপারশপগুলোতে পোলাওয়ের চাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতিটি পণ্যেই বাড়তি টাকা নিলেও সমিতির কর্মকর্তারা লিখিতভাবে দাবি করছেন দোকানটি ন্যায্যমূল্যের।
আজিমপুর কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য সরবরাহের জন্য ১৯৬০ সালে আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। আজিমপুর কলোনির মাস্টার প্ল্যান দোকানটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় সমিতির পক্ষ থেকে দেনদরবার করা হচ্ছে, যাতে মাস্টারপ্ল্যানে দোকানটি রাখা হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের জীবনমানের ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করে দোকানটি টিকিয়ে রাখার যুক্তি দেখানো হয়েছে। বলা হচ্ছে, আশপাশের এলাকার দোকানগুলো থেকে এ দোকানে কম দামে পণ্য বিক্রি হয়। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, কাগজপত্রে ‘ন্যায্যমূল্যের’ দোকানটি আদতে উচ্চমূল্যের দোকান।
নিজেদের পরিচালিত এই দোকান আজিমপুর কলোনিতে থাকা সরকারি কর্মীদের জন্য কতটা জরুরি, তা জানিয়ে সরকারি চিঠি চালাচালিও হয়েছে। সমিতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ১৯ জানুয়ারি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হয়। সেখানে লেখা হয়, প্রতিষ্ঠানটি আজিমপুর কলোনির মাস্টার প্ল্যানে রেখে আপাতত তা যেন আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসিক এলাকার (জোন-বি) কমন ফ্যাসিলিটিজ ভবনের নিচতলায় অথবা অন্য কোনো সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা হয়।
চিঠিতে দাবি করা হয়, সমবায় অধিদপ্তরের নিয়ম-নীতি অনুসারে সমিতির কার্যক্রম সাফল্য ও সম্মানের সঙ্গে চালু রয়েছে। বর্তমানে সমিতির ব্যাংক হিসাব ও দোকানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূলধন ও সমিতির প্রায় ২ হাজার শেয়ার হোল্ডার রয়েছে। প্রতিষ্ঠান ও দোকানটি বন্ধ হলে ওই কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে সমিতির শেয়ার হোল্ডাররাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
অথচ ‘ন্যায্যমূল্যের’ নামে এই দোকানে শুধু চাল নয়, প্রতিটি পণ্যই চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, এই দোকানে প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল ১২০ টাকা, বিদেশ মসুর ডাল ১০০, মুগ ডাল ১৪০, বুটের ডাল (আস্ত) ৯০, ছোলা ৮০, অ্যাংকার ডাল ৬০, আটা এক কেজির প্যাকেট ৪৫, ময়দা এক কেজির প্যাকেট ৬০, ফার্মের ডিমের হালি ৩৮, চিড়া ও মুড়ি ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ওই দিন টিসিবির বাজার পরিদর্শন টিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি কেজি প্যাকেট আটা ৪০-৪৫ টাকা, ময়দার প্যাকেট ৫২-৬০ টাকা, বিদেশি মসুর ডাল ৯৫-১০০ টাকা, মুগ ডাল ১২০-১৩৫ টাকা, অ্যাংকার ডাল ৪৮-৫০ টাকা, ছোলা ৭০-৮০ টাকা ও ফার্মের ডিম ৩৫-৩৮ টাকা হালি দরে বিক্রি হয়েছে। টিসিবি তাদের নিজস্ব ট্রাকে প্রতিকেজি বিদেশি ডাল বিক্রি করছে ৬৫ টাকা দরে। আর খাদ্য অধিদপ্তর প্রতি কেজি প্যাকেট আটা ২৩ টাকায় এবং চাল ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।
অর্থাৎ, প্রতিটি পণ্যে কমপক্ষে ৫ টাকা থেকে শুরু করে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখলেও আজিমপুর এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি দাবি করছে তারা দোকানটি থেকে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজিমপুর স্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দোকানটি আসলে (ন্যায্য) মূল্যের না, তবে আশপাশের বিভিন্ন সুপার শপ এবং অন্যান্য মুদি দোকানের চেয়ে এখানে কম দামে পণ্য বিক্রি হয়।’ আশপাশের দোকানের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসলে আমি সমিতিতে আছি ঠিকই, কিন্তু দোকানটি পরিচালনা করছেন আনোয়ার হোসেন নামের আরেক কর্মকর্তা। সমিতির লাভ-লোকসান সব ব্যাংকে জমা হচ্ছে।’
সমিতির গভর্নিং বডির সদস্য আনোয়ার হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি তো রাখছি না। অন্য দোকানে যেমন, ঠিক তেমনি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যই রাখা হয়। রমজান মাসে মিল্ক ভিটা দুধের দাম অনেকে বাড়িয়ে দেয়। আমরা কিন্তু একই রাখি।’
সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কী করে ন্যায্যমূল্য হলো, সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা একটা স্থিতিশীল দাম রাখার চেষ্টা করি। এমআরপির চেয়ে বেশি আমরা কখনো রাখি না।’ এর বাইরে আর কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৭ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
২৩ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৬ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪২ মিনিট আগে