ঢামেক প্রতিনিধি

কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আবাসন সমস্যা নিরসনে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না পেলে ক্লাসে না ফেরার সিদ্ধান্তে অনড় ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষার্থীরা।
কলেজটির কে-৮০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহবুব মোর্শেদ সিয়াম বলেন, ‘গতকাল আমরা সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁর কাছে আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেছি। দাবিগুলোর সঙ্গে তাঁরাও একমত পোষণ করেন। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সারা দেশে মেডিকেল কলেজগুলোতে ১৯টি হল তৈরির প্রজেক্ট তাঁদের হাতে রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হল ঢাকা মেডিকেল কলেজে করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বরাদ্দ কার্যক্রমের জন্য আগামী মাসে যে একনেক সভা হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেখানে এই প্রস্তাব উত্থাপন করবেন এবং সেখানে আমাদের এই প্রস্তাব অগ্রাধিকারসহ তুলে ধরবেন। এ জন্য আমরা শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি হলের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চতুর্থ তলা ছেড়ে দিয়ে নিচের তিনটি তলায় থাকতে শুরু করেছি।’
কে-৭৯ ব্যাচের আলফাজ হোসাইন সিহাব বলেন, ‘আমাদের কে-৭৮ থেকে কে-৮১ ব্যাচের আবাসনের জন্য সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ পেলেও নবাগত কে-৮২ ব্যাচের আবাসনের কোনো রোডম্যাপ কলেজ কর্তৃপক্ষ দেয়নি। আজকে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা এ বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসেছিলাম। তারা বলছেন, তাদের পরিকল্পনা খুব শিগগিরই জানাবেন। তবে তারা যত দিন পর্যন্ত তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানাতে পারছেন না, তত দিন পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরছি না।’
এর আগে, বেশ কিছুদিন ধরে আবাসন সমস্যার সমাধানে ৫ দফা দাবি তুলে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করে আসছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীরা। তাঁদের আন্দোলনের মুখে ২১ জুন কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল জরুরি সভা ডেকে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ও ২২ জুন দুপুরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাৎক্ষণিক সেই নোটিশ প্রত্যাখ্যান করেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন—

কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আবাসন সমস্যা নিরসনে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না পেলে ক্লাসে না ফেরার সিদ্ধান্তে অনড় ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষার্থীরা।
কলেজটির কে-৮০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহবুব মোর্শেদ সিয়াম বলেন, ‘গতকাল আমরা সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁর কাছে আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেছি। দাবিগুলোর সঙ্গে তাঁরাও একমত পোষণ করেন। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সারা দেশে মেডিকেল কলেজগুলোতে ১৯টি হল তৈরির প্রজেক্ট তাঁদের হাতে রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হল ঢাকা মেডিকেল কলেজে করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বরাদ্দ কার্যক্রমের জন্য আগামী মাসে যে একনেক সভা হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেখানে এই প্রস্তাব উত্থাপন করবেন এবং সেখানে আমাদের এই প্রস্তাব অগ্রাধিকারসহ তুলে ধরবেন। এ জন্য আমরা শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি হলের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চতুর্থ তলা ছেড়ে দিয়ে নিচের তিনটি তলায় থাকতে শুরু করেছি।’
কে-৭৯ ব্যাচের আলফাজ হোসাইন সিহাব বলেন, ‘আমাদের কে-৭৮ থেকে কে-৮১ ব্যাচের আবাসনের জন্য সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ পেলেও নবাগত কে-৮২ ব্যাচের আবাসনের কোনো রোডম্যাপ কলেজ কর্তৃপক্ষ দেয়নি। আজকে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা এ বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসেছিলাম। তারা বলছেন, তাদের পরিকল্পনা খুব শিগগিরই জানাবেন। তবে তারা যত দিন পর্যন্ত তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানাতে পারছেন না, তত দিন পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরছি না।’
এর আগে, বেশ কিছুদিন ধরে আবাসন সমস্যার সমাধানে ৫ দফা দাবি তুলে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করে আসছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীরা। তাঁদের আন্দোলনের মুখে ২১ জুন কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল জরুরি সভা ডেকে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ও ২২ জুন দুপুরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাৎক্ষণিক সেই নোটিশ প্রত্যাখ্যান করেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন—

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে