ঢামেক প্রতিনিধি

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাজেট ও বিকল্প আবাসন নিয়ে এখনো পরিষ্কার নির্দেশনা না পাওয়ায় তাঁরা ক্লাসে ফিরছেন না। তাঁদের দাবি, ক্লাসে ফেরার মতো পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি এবং হল ছাড়ার নোটিশ তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘গতকাল আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমাদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর সমাধান চাই বলেই আলোচনা করতে এসেছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী বৈঠকে সব দাবির সঙ্গে একমত হয়েছেন। তবে বাজেট ও বিকল্প আবাসন নিয়ে এখনো পরিষ্কার নির্দেশনা তাঁর কাছ থেকে পাইনি। এখনো ক্লাসে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি। সবকিছুর জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।’
আব্দুল্লাহ আল নোমান আরও বলেন, ‘আলোচনা হয়েছে, তবে পরিষ্কার রোডম্যাপ না পাওয়ায় এখনই ক্লাসে ফেরা হচ্ছে না। দ্রুত সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি। হল ছাড়ার নোটিশকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। হল ছাড়া হবে না। নতুন ব্যাচকে আবাসন দেওয়ার মতো জায়গা নেই, তাহলে তারা কীভাবে ক্লাস করবে? একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে আমরা জানি, তাই পিছিয়ে পড়তে চাই না। দ্রুত দাবি আদায় ও রোডম্যাপ চাই।’
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা ডা. ফজলে রাব্বী হলের সহকারী প্রভোস্ট ডা. শহীদুল ইসলাম আকন বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজের হলগুলো বসবাসের অনুপযুক্ত। শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। সবাই একমত হয়ে সমাধান হওয়া দরকার। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল উচ্চ মহলে তা জানানোর। তাদের সঙ্গে একমত হয়ে এখানে জানাতে এসেছি। নতুন ব্যাচকে আবাসন দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। তবে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে চায় সবাই। আশু সমাধানের কথা বলা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, রাতারাতি সবকিছু সম্ভব নয়। তবে যা দ্রুত করা সম্ভব, তা দ্রুত করা হবে এবং যে বিষয়ে সময় লাগবে, তা ধীরে ধীরে করা হবে। নতুন বাসা ভাড়া করে বা সরকারি কোনো ভবনে ব্যবস্থা করার জন্য বলেছি। রোডম্যাপ নিয়ে প্রাথমিক আলাপ হয়েছে, আলোচনা চলবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাজেট ও বিকল্প আবাসন নিয়ে এখনো পরিষ্কার নির্দেশনা না পাওয়ায় তাঁরা ক্লাসে ফিরছেন না। তাঁদের দাবি, ক্লাসে ফেরার মতো পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি এবং হল ছাড়ার নোটিশ তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘গতকাল আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমাদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর সমাধান চাই বলেই আলোচনা করতে এসেছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী বৈঠকে সব দাবির সঙ্গে একমত হয়েছেন। তবে বাজেট ও বিকল্প আবাসন নিয়ে এখনো পরিষ্কার নির্দেশনা তাঁর কাছ থেকে পাইনি। এখনো ক্লাসে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি। সবকিছুর জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।’
আব্দুল্লাহ আল নোমান আরও বলেন, ‘আলোচনা হয়েছে, তবে পরিষ্কার রোডম্যাপ না পাওয়ায় এখনই ক্লাসে ফেরা হচ্ছে না। দ্রুত সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি। হল ছাড়ার নোটিশকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। হল ছাড়া হবে না। নতুন ব্যাচকে আবাসন দেওয়ার মতো জায়গা নেই, তাহলে তারা কীভাবে ক্লাস করবে? একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে আমরা জানি, তাই পিছিয়ে পড়তে চাই না। দ্রুত দাবি আদায় ও রোডম্যাপ চাই।’
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা ডা. ফজলে রাব্বী হলের সহকারী প্রভোস্ট ডা. শহীদুল ইসলাম আকন বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজের হলগুলো বসবাসের অনুপযুক্ত। শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। সবাই একমত হয়ে সমাধান হওয়া দরকার। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল উচ্চ মহলে তা জানানোর। তাদের সঙ্গে একমত হয়ে এখানে জানাতে এসেছি। নতুন ব্যাচকে আবাসন দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। তবে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে চায় সবাই। আশু সমাধানের কথা বলা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, রাতারাতি সবকিছু সম্ভব নয়। তবে যা দ্রুত করা সম্ভব, তা দ্রুত করা হবে এবং যে বিষয়ে সময় লাগবে, তা ধীরে ধীরে করা হবে। নতুন বাসা ভাড়া করে বা সরকারি কোনো ভবনে ব্যবস্থা করার জন্য বলেছি। রোডম্যাপ নিয়ে প্রাথমিক আলাপ হয়েছে, আলোচনা চলবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে