
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের অনেকের লাশ খালি চোখে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাই পুলিশ সেসব লাশ শনাক্তে ডিএনএ প্রোফাইল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের প্রত্যেকের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের প্রত্যেকের নাম-পরিচয় যাচাই ও তালিকা করা হচ্ছে। যেসব মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না, সেগুলো ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হচ্ছে।
ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালে আহতদের সুচিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, বিভিন্ন মহল থেকে হতাহতের তথ্য গোপন করা হচ্ছে দাবি করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই, এ দাবি সঠিক নয়।
এতে বলা হয়, এ মর্মান্তিক ঘটনায় আহত-নিহতদের সম্পূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের জন্য সরকার, সেনাবাহিনী প্রশাসন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করছে। আমরা সবার প্রতি আহ্বান জানাই, এই দুর্ঘটনায় আপনার পরিচিত কেউ যদি নিখোঁজ থেকে থাকে তবে অতি দ্রুত স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, সেখানে একটি কন্ট্রোল রুম বসানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি, এখনো কেউ নিখোঁজ রয়েছে কিনা তা বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রি খাতা ও অন্যান্য নথি থেকে যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

কেউ ২৮ বছর, কেউ ২১ বছর ধরে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। আদালত তাঁদের চাকরি নিয়মিতকরণের নির্দেশনা দিলেও দীর্ঘ দিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে সম্প্রতি তাঁদের চাকরি নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছিল বোর্ড। বোর্ড সভায় তা অনুমোদনও হয়।
২৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় রেলওয়ের জমি দখল করে এক ব্যক্তি হাঁস, মুরগি ও গরু-ছাগলের খামার গড়ে তুলেছেন। দখল হওয়া ৩০ শতক জমি উদ্ধারে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তির কাছে ব্যাখ্যা তলব করে হাজির হতে নোটিশ দিলেও তা শোনেননি। তিনি সেখানে হাঁস পালনের জন্য একটি ছোট পুকুরও খনন করেছেন।
৩৭ মিনিট আগে
নারী কর্মজীবীদের মধ্যে অধিকাংশ চাকরি ছাড়ছেন পারিবারিক দায়িত্ব ও মাতৃত্বের কারণে। কর্মজীবী নারীদের ৭৫ শতাংশই এই দুটি কারণে স্বেচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে চাকরি থেকে বিরতি নিচ্ছেন বা পেশাগত জীবনে ইতি টানছেন। এ ছাড়া বিরূপ কর্মপরিবেশ, সামাজিক চাপ এবং উচ্চশিক্ষার কারণেও অনেকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
‘আমার বাসার পাশেই একটি মিসাইল মারছে। প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে ছিলাম, প্রাণের ভয়ে ছিলাম। এখন নতুন জীবন পাইছি। নতুন এই জীবন দিছে ইউএস-বাংলা।’ কথাগুলো বললেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইপ্রবাসী ওমর ফারুক।
৩ ঘণ্টা আগে