আমানুর রহমান রনি, ঢাকা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স ঢাকার ২০১২ সালের গ্রিলকাটা চোরের সন্ধানে নেমেছে। এ ছাড়া সম্ভাব্য আরও আটটি বিষয় সামনে রেখে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) নেতৃত্বে গঠিত এই টাস্কফোর্স।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, এরই মধ্যে র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানসহ অন্তত ৪৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
পিবিআইয়ের সদর দপ্তর সূত্র বলেছে, কী কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে, সে রকম ৯টি বিষয়কে নির্ধারণ করে টাস্কফোর্স তদন্ত শুরু করেছে এবং কর্মপরিকল্পনা করেছে। ওই নয়টি দিক হলো চুরি বা ডাকাতি, পারিবারিক-দাম্পত্য জীবনে কলহ, পেশাগত, পূর্বশত্রুতা, দেনা-পাওনা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহে রাখা, প্রেমঘটিত এবং সংবাদ প্রতিবেদন তৈরিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিসহ ঘটনাসংশ্লিষ্ট সব দিক। এসব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের গ্রিলকাটা চোরদের তথ্য করা সংগ্রহ হচ্ছে
এই মামলার তদন্তে পিবিআইয়ের টাস্কফোর্স ঢাকায় ২০১২ সাল থেকে যারা গ্রিল কেটে চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের তালিকা ও তাদের বিষয়ে ডিএমপি থেকে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। টাস্কফোর্সের একজন কর্মকর্তা বলেন, সাগর-রুনি হত্যার ঘটনার সময়কাল এবং বর্তমানে গ্রিলকাটা চোর যারা রয়েছে, তাদের তালিকা সংগ্রহ করতে হবে। ২০১২ সালের এ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বনানীতে ডা. নিতাই চন্দ্র হত্যাকাণ্ডের ধরন বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিল আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময়ে যাঁরা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলেছেন, মন্তব্য করেছেন, তাঁদের সঙ্গেও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আলোচনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে টাস্কফোর্সকে তথ্য দেওয়ার জন্য পত্রিকায় শিগগির গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।
জিয়াউল আহসানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ
সাবেক র্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ১৬ জানুয়ারি দুই ঘণ্টা জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন টাস্কফোর্সের সদস্যরা। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান হত্যাকাণ্ডের পর সাগর-রুনির বাসায় গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এই টাস্কফোর্স গঠনের পর থেকে অন্তত ৪৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ১৩ জানুয়ারি ও এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ধানমন্ডির পিবিআই সদর দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, এই হত্যা মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তা, সুপারভাইজার অফিসার, সাক্ষী ও নিহতদের পরিবারের বক্তব্যও নেওয়া হবে। হাসান মাহমুদ খন্দকার ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। ঘটনার পর তিনি বলেছিলেন, তদন্তের ইতিবাচক ও প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে তদন্ত করেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক। চার দিন পর তদন্তভার যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসের বেশি সময় পরও রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার যায় র্যাবের কাছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে উচ্চ আদালতে রিটের পর শিশির মনিরকে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামালকে প্রধান করে গঠন করা হয় টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যরা হলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, অতিরিক্ত ডিআইজি (সিআইডি) রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত ডিআইজি (র্যাব) নয়মুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি (পিবিআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিবিআই) মো. আজিজুল হক।
তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে পিবিআই প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মোস্তফা কামাল বলেন, হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে টাস্কফোর্স। বিভিন্ন দিক মাথায় রেখে তদন্ত চলছে।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স ঢাকার ২০১২ সালের গ্রিলকাটা চোরের সন্ধানে নেমেছে। এ ছাড়া সম্ভাব্য আরও আটটি বিষয় সামনে রেখে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) নেতৃত্বে গঠিত এই টাস্কফোর্স।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, এরই মধ্যে র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানসহ অন্তত ৪৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
পিবিআইয়ের সদর দপ্তর সূত্র বলেছে, কী কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে, সে রকম ৯টি বিষয়কে নির্ধারণ করে টাস্কফোর্স তদন্ত শুরু করেছে এবং কর্মপরিকল্পনা করেছে। ওই নয়টি দিক হলো চুরি বা ডাকাতি, পারিবারিক-দাম্পত্য জীবনে কলহ, পেশাগত, পূর্বশত্রুতা, দেনা-পাওনা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহে রাখা, প্রেমঘটিত এবং সংবাদ প্রতিবেদন তৈরিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিসহ ঘটনাসংশ্লিষ্ট সব দিক। এসব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের গ্রিলকাটা চোরদের তথ্য করা সংগ্রহ হচ্ছে
এই মামলার তদন্তে পিবিআইয়ের টাস্কফোর্স ঢাকায় ২০১২ সাল থেকে যারা গ্রিল কেটে চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের তালিকা ও তাদের বিষয়ে ডিএমপি থেকে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। টাস্কফোর্সের একজন কর্মকর্তা বলেন, সাগর-রুনি হত্যার ঘটনার সময়কাল এবং বর্তমানে গ্রিলকাটা চোর যারা রয়েছে, তাদের তালিকা সংগ্রহ করতে হবে। ২০১২ সালের এ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বনানীতে ডা. নিতাই চন্দ্র হত্যাকাণ্ডের ধরন বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিল আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময়ে যাঁরা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলেছেন, মন্তব্য করেছেন, তাঁদের সঙ্গেও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আলোচনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে টাস্কফোর্সকে তথ্য দেওয়ার জন্য পত্রিকায় শিগগির গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।
জিয়াউল আহসানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ
সাবেক র্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ১৬ জানুয়ারি দুই ঘণ্টা জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন টাস্কফোর্সের সদস্যরা। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান হত্যাকাণ্ডের পর সাগর-রুনির বাসায় গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এই টাস্কফোর্স গঠনের পর থেকে অন্তত ৪৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ১৩ জানুয়ারি ও এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ধানমন্ডির পিবিআই সদর দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, এই হত্যা মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তা, সুপারভাইজার অফিসার, সাক্ষী ও নিহতদের পরিবারের বক্তব্যও নেওয়া হবে। হাসান মাহমুদ খন্দকার ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। ঘটনার পর তিনি বলেছিলেন, তদন্তের ইতিবাচক ও প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে তদন্ত করেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক। চার দিন পর তদন্তভার যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসের বেশি সময় পরও রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার যায় র্যাবের কাছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে উচ্চ আদালতে রিটের পর শিশির মনিরকে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামালকে প্রধান করে গঠন করা হয় টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যরা হলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, অতিরিক্ত ডিআইজি (সিআইডি) রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত ডিআইজি (র্যাব) নয়মুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি (পিবিআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিবিআই) মো. আজিজুল হক।
তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে পিবিআই প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মোস্তফা কামাল বলেন, হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে টাস্কফোর্স। বিভিন্ন দিক মাথায় রেখে তদন্ত চলছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে