নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়েছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মো. মামুন। তবে এ সময় তাঁকে ছাত্রলীগ সন্দেহে মারধর করেছেন ছাত্রদলের কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয় তাঁদের। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমঝোতায় বিষয়টি সমাধানে আসে।
শিবির নেতা মো. মামুন বলেন, ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি ঘিরে যে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়েছে, সেটির ভেতরে অনেকেই যাচ্ছিলেন। আমিও যেতে চাইলাম। তখন পুলিশ বাধা দেয় আমাকে। আমি বলেছিলাম, সবাই যেতে পারলে আমি পারব না কেন? তখন কয়েকজন লোক এসে আমাকে প্রশ্ন করল, আমি কেন যেতে চাই। এরপর তারা আমাকে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে। আমি তাদের বলি, আমি ঢাকা কলেজ শিবিরের দায়িত্বশীল নেতা। এটি শুনে তারা বলে, ‘তো কী হয়েছে।’ পাশেই পুলিশ সদস্যরা ছিলেন। আমি তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি, কিন্তু পুলিশ তাদের আটকায়নি।’
মো. মামুন আরও বলেন, ‘আমাকে যখন মারধর করা হচ্ছিল, তখন হামলাকারীরা আমার মোবাইল, মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।’
ঘটনাস্থলে ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকিম আহমেদ বলেন, ‘তিনি (মো. মামুন) আমাদের এইচআরডি সম্পাদক (প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক)। উনি উনার পরিচয় দেওয়ার পরও হামলা চলমান থাকে। আমাদের সঙ্গে ধামন্ডি ছাত্রদলের সদস্যসচিব জনি ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে তাঁরা ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন এবং ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে বলে তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মহিউদ্দিন সরকার জনি বলেন, ‘উনি যদি শুরুতেই উনার পরিচয় নিশ্চিত করতেন, তাহলে এ ঘটনা ঘটত না। উনি প্রথমে একটু উগ্র আচরণ করেছেন। এ কারণে উত্তেজিত হয়ে কয়েকজন তাঁকে মারধর করে। পরে আমরা তাঁর পরিচয় জানতে পেরে ছাড়িয়ে নিই।’

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়েছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মো. মামুন। তবে এ সময় তাঁকে ছাত্রলীগ সন্দেহে মারধর করেছেন ছাত্রদলের কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয় তাঁদের। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমঝোতায় বিষয়টি সমাধানে আসে।
শিবির নেতা মো. মামুন বলেন, ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি ঘিরে যে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়েছে, সেটির ভেতরে অনেকেই যাচ্ছিলেন। আমিও যেতে চাইলাম। তখন পুলিশ বাধা দেয় আমাকে। আমি বলেছিলাম, সবাই যেতে পারলে আমি পারব না কেন? তখন কয়েকজন লোক এসে আমাকে প্রশ্ন করল, আমি কেন যেতে চাই। এরপর তারা আমাকে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে। আমি তাদের বলি, আমি ঢাকা কলেজ শিবিরের দায়িত্বশীল নেতা। এটি শুনে তারা বলে, ‘তো কী হয়েছে।’ পাশেই পুলিশ সদস্যরা ছিলেন। আমি তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি, কিন্তু পুলিশ তাদের আটকায়নি।’
মো. মামুন আরও বলেন, ‘আমাকে যখন মারধর করা হচ্ছিল, তখন হামলাকারীরা আমার মোবাইল, মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।’
ঘটনাস্থলে ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকিম আহমেদ বলেন, ‘তিনি (মো. মামুন) আমাদের এইচআরডি সম্পাদক (প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক)। উনি উনার পরিচয় দেওয়ার পরও হামলা চলমান থাকে। আমাদের সঙ্গে ধামন্ডি ছাত্রদলের সদস্যসচিব জনি ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে তাঁরা ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন এবং ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে বলে তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মহিউদ্দিন সরকার জনি বলেন, ‘উনি যদি শুরুতেই উনার পরিচয় নিশ্চিত করতেন, তাহলে এ ঘটনা ঘটত না। উনি প্রথমে একটু উগ্র আচরণ করেছেন। এ কারণে উত্তেজিত হয়ে কয়েকজন তাঁকে মারধর করে। পরে আমরা তাঁর পরিচয় জানতে পেরে ছাড়িয়ে নিই।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
৬ মিনিট আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১০ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১০ ঘণ্টা আগে